রক্ত পরীক্ষার টেন্ডারের মামলা আবার গরম স্বাস্থ্য সচিবে কাজে ফাইল

রক্ত পরীক্ষার টেন্ডারের মামলা আবার গরম স্বাস্থ্য সচিবে কাজে ফাইল
Spread the love
  • নতূন করে অভিযোগ জাঁচাই

  • পুরানো ফাইল আবার দেখা হচ্ছে

  • অফিসারদের একটি গ্রুপ এই কাজে ব্যাস্ত

প্রশান্ত কুমার ঝা

রাঁচী: রক্ত পরীক্ষার টেন্ডারের মামলা অনেক নতূন তথ্য সামনে এনেছে। স্থানীয় রিম্স হাসপাতালে এই অ্যটোম্যেটিক রক্ত পরীক্ষার মেশিন লাগান হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের অধীন কার্যরত এনএচআরআম এর জন্য টেন্ডার চেয়েছে। মেশিন টি পিপিপি মোডে রিম্সে লাগান হবে।

ধরা যেতে পারে যে মোটামুটি এই টেন্ডার প্রায় ফাইনাল হয়ে গেছে। তবে টেন্ডারের ভেতরে সব ব্যাপার বাইরে আসার দরুন নতূন করে সব খূঁতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আসলে প্রথমেই এই অভিযোগ উঠেছে যে একজন অফিসারের বেনামী কম্পানি কে লাভ দেবার কাজের প্রতি সবার নজর আছে।

স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে এই বিষয়ে সরকারীভাবে কিছুই বলা হয়নি, যদিও এই অভিযোগ স্বাস্থ্য সচিবের কাছে পৌঁছেছে।

পিপিপি মোডে নেট মেশিন পরিচালনার জন্য এনএচআরএম টেন্ডার ফ্লোট করেছিলো।

পরে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানিকে কাজ দেবার জন্য টেন্ডারে প্রচুর শর্ত সরিয়ে দেওয়া হয় এবং নতূন শর্ত যোগ করা হয়।

এই সব হবার পরেই লোকেদের মনে টেন্ডারের প্রতি সন্দেহ উঠেছে।

ধীরে ধীরে জানা গেছে যে আসলে একজন অফিসারের একটি বেনামী কম্পানিকে কাজ দেবার জন্য সমস্ত ব্যাপার গোলমাল করা হয়েছে।

সেই সুত্রে খবর পাওয়া গেছে যে এর আগেই এনএচআরএম যত টেন্ডার গত এক বছরে ফাইনাল করেছে, সবকটা তে এই এক রকমরে গোলমাল করা হয়েছে।

এখন এই ব্যাপারটা খুব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে সেখানের কিছূ অফিসার নিজের ভিতরে জোট পাকিয়ে সব রকমের কাজ বেনামী হাসিল করতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

রক্ত পরীক্ষার এই টেন্ডারে বিশ্বের সবচেয়ে নামী কম্পানীর টেন্ডার স্বীকার না করার পিছনে আসল কারণ এটা।

হেপাটাইটিস এবং এচআইভি নির্ণয় করার জন্য এই মেশিন লাগান হচ্ছে।

এই মেশিন রক্ত পরীক্ষা করে সংক্রমিত রক্তের হদিশ দেয়। রিম্সে এই মেশিন লাগান হলে রোগিদের ভেতরে কে এই ধরনের সংক্রমে ভূগছে সেটা তাড়াতাড়ি জানা যাবে এবং রুগির চিকিত্সা সঠিক সময়ে শুরু হবে।

পূরো ব্যাপারটি জানা গেলে এই কথাও সামনে এসেছে যে নিজের ইচ্ছেমতন এই মেশিন একটি বিশেষ কম্পানি থেকে নেবার জন্যে অনেক রকমের খেলা হয়েছে।

এমনকি রিম্সের ব্লাড ব্যাংকের প্রধান অফিসারকে এই ব্যাপারে কোন কথা জিজ্ঞেস করা হয় নি।

তার এক জুনিয়ারকে দিয়ে টেন্ডার কমিটি কাজ চালিয়ে নিয়েছে।

আসলে এই টেন্ডার কমিটির আসল প্রধান অফিসার এখন নিজের চিকিত্সার করাতে রাঁচীর বাইরে আছেন।

সেই ফাঁকে একজন অর্থোপ্যেডিক সার্জন এই কমিটির কাজ দেখছেন, যার কাছে নিজের রক্ত পরীক্ষার কোন অভিজ্ঞতা নেই।

তাই তিনি অন্য লোকেদের ইশারায় কাজ করে যাচ্ছেন।

টেন্ডার কমিটির অন্য সদস্যরা আগে জানিয়ে দিয়েছেন সে বড় অফিসাররা

তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে ফাইলে সই করতে বাধ্য করেছেন

তবে সেই নিয়ে তাঁরা কোন ঝামেলায় যেতে চান না।

Loading...