My title page contents Press "Enter" to skip to content

বিজেপি নেতার হত্যার পেছনে টাকা-পয়সার লেনদেন ঝগড়া




ইন্দৌরঃ বিজেপি নেতার হত্যার পেছনে টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে মুখ্য কারণ ছিল।

টাকা পয়সা নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় এই নেতাকে প্রাণ হারাতে হয়। এমন তথ্যই উঠে এসেছে হত্যাকান্ডের মামলায়।

মধ্যপ্রদেশের হাতোদ থানা এলাকারয় পালিয়া গ্রামে ভোটের দিন তথাকথিত বিজেপি কার্যকর্রতাকে হত্যা করা হয়।

এই মামলায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত দুজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

আরও তিন জন অভিযুক্তের তল্লাশি চলছে।

পুলিশের আধিকারিক সূত্র জানাচ্ছে যে এই হত্যা কাহিনীর মূল অভিযুক্ত অরুন শর্মাকে সোমবার গভীর রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

তাকে গতকাল আদালতে পেশ করা হয়। আদালত অরুণকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

গতকাল পুলিশ পঙ্কজ শর্মা কেও গ্রেফতার করেছে।

এই মামলা প্রধান তদন্ত আধিকারিক পুলিশ নিরীক্ষক রাকেশ গুরগেলে জানিয়েছেন যে, অরুন শর্মা এবং যাকে হত্যা করা হয়েছে,

সেই নেমিচাঁদের মধ্যে টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে কিছু বিবাদ থাকার ঘটনা তদন্তে উঠে আসছে।

তিনি বলেন যে যেদিন এই হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়েছিল, সেদিন অরুণ শর্মা ও নেমিচাঁদের মধ্যে বাদানুবাদ হয়।

কথার মাঝখানে মেজাজ হারিয়ে নেমিচাঁদ অরুনকে ধাক্কা দিয়ে দেয়।

আচমকা ধাক্কা খেয়ে অরুণের শারীরিক সন্তুলন বিগড়ে যায় এবং সে পড়ে যায়।

এই দৃশ্য দেখে অরুণের ছেলে পঙ্কজ শর্মা নেমিচাঁদের দিকে তাক করে গুলি চালায় এবং তাতেই নেমিচাঁদের মৃত্যু হয়।

বিজেপি নেতার হত্যার পরে বিজেপি রাজনৈতিক হত্যার অভিযোগ করেছিলো

বলা হচ্ছে যে গত রবিবার ভোটের পর অরুন শর্মা এবং তার দুই ছেলে হঠাৎ কে নেমিচাঁদের ওপর আক্রমণ করেছিল।

গুলি লেগে নেমিচাঁদের মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে এই হামলায় গুলির কিছু অংশ লেগে নেমিচাঁদের স্ত্রী পুষ্পা এবং তাঁর পুত্রবধু রমা আহত হয়েছিলেন।

এই বিজেপি নেতার হত্যার ঘটনার পর রাজ্যের রাজনৈতিক পারা গরম হয়ে ওঠে। প্র

ধান বিপক্ষে দল বিজেপি অভিযোগ করছে যে অরুণ শর্মা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সহ চাম্বের কংগ্রেস বিধায়ক শ্রী তুলসীরাম সিলাওয়াট এর সমর্থক।

বিজেপি অভিযোগ করেছিল যে যেহেতু নেমিচাঁদ বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন, তাই তাঁর ওপর বিরক্ত হয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

পুলিশ এখন তৃতীয় অভিযুক্ত সহ অরুণের ছেলে নবীন শর্মাকে খুঁজে বার করার জন্য তল্লাশি চালাচ্ছে।

ভোট শেষ হয়ে যাবার পরও একে অন্যের বিরুদ্ধে দল ভারী করার চেষ্টায় খুন জখম চালিয়ে যাচ্ছে।




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.