হীরার বিশাল বিশাল পাহাড় তবে সেখানে পৌঁচানো এখন সম্ভব নয়

হীরার বিশাল পাহাড়
  • ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন দ্বারা স্পন্সর করা অনুসন্ধান 

  • শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে হীরা ভাণ্ডারের সন্ধান পাওয়া যায়

  • পৃথিবীর উপরে থেকে অনেক বেশী হীরা ভিতরে

নতুন দিল্লি: হীরার বিশাল বিশাল পাহাড়,সেই পাহাড়ে এত হীরা কি পুরো পৃথিবী জুড়ে এখনও এত হীরা নেই।

কিন্তু খুশি হওয়ার প্রয়োজন নেই কারণ এখানে পৌঁছানো মুহূর্তে সম্ভব নয়।

জমির প্রচুর গভীরতার মধ্যে হীরকগুলির প্রাচুর্য আছে।

শব্দ তরঙ্গগুলির সাহায্যে করা হয়েছে একটি গবেষণা থেকে এটির ফলাফল বের করা হয়েছে।

অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের মানুষ এই গবেষণার সাথে একসাথে কাজ করছে।

গভীরতার মধ্যে হীরার পাহাড়ের খোঁজ পাওয়া গেলেও এই গুলিকে বের করা সম্ভব নয়।

কেননা এত গভীর অব্দি খনন করার কাজ করার কোন বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি পৃথিবীতে নেই।

এক শত কিলোমিটার নিচে নামা তাই সম্ভব নয়।

হিরের পাহাড় পৃথিবীর কেন্দ্রের বাইরের খোলোশের গবেষণায় পাওয়া যায় যে

পৃথিবীর কেন্দ্র ভেতরে ফূটন্ত লাভার চার পাশে যে শক্ত আবরণ আছে, তার বাইরেক ভাগে আছে এই হীরের পাহাড় গুলি।

শব্দ তরঙ্গ থেকে উদ্ভূত গবেষণায় এটি জানা যায় যে এই হীরের পাহাড়গুলির অতি গভীরে হলেও

প্রায় দূই শত কিলোমিটার ধরে ছড়িয়ে আছে। মানে দূশ মাইল লম্বা পাহাড়ে হীরে ভর্তি।

পৃথিবীর কেন্দ্রের লাভা এর বহির্মুখী খোলেশের ওপর এই হীরা পাহাড় তৈরি হয়েছে।

একটি বিশেষ ক্ষেত্র সম্পর্কে ধারণা করা হয় যে কি সেখানে এর মাটি এবং পাথর থেকে এক থেকে দুই শতাংশ হীরা হতে পারে।

যে জায়গা নিয়ে এই অনুসন্ধান চালানো হয়েছিলো, সেখানে 1016 টন হীরা থাকার অনুমান করা হয়েছে।

হীরার এই খোঁজে ছিলেন অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈজ্ঞানিকরা

এই গবেষণার সাথে সংযুক্ত এমআইটি এর গবেষণামূলক এই কাজের সাথে যূক্ত বৈজ্ঞানিকরা

মনে করেন যে অবশ্যই পৃথিবীর মানুষের জন্য হীরা একটি অসাধারণ পাথর হয়।

কিন্তু ভূগর্ভবিজ্ঞান বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটা এত গুরুত্বপূর্ণ না।

এই গবেষণার দ্বারা এই আবিষ্কার চালানো হয়েছে

যে পৃথিবী সব মানুষ কাছাকাছি আছে যতটা হীরা এখন বিদ্যমান, তার চেয়ে অনেক বেশি হীরা জমির ভিতরে আছে

হীরা খোঁজ পাওয়া গেচে সিসমিক ডাটা থেকে।

এর আগে সিসমিক ডাটার ওপর নজর রাখা হত যাতে ভূমিকম্প এবং সুনামি পরিমাপ করা হয়

ভূগর্ভস্থ এর তল্লাশি পুথালের পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা হয়েছে

যাতে শব্দ তরঙ্গগুলির বিশ্লেষণ থেকে সায়েন্টিফিক হিরার পাহাড়ের হেতু এর ফলাফল পাওয়া যায়।

এই গবেষণা মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি, ওয়াশিংটন কান্নেজ ইনস্টিটিউট, হোভার ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি, এবং চীন এর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেউর্ট ইউনিভার্সিটি, মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটি এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ এ্যাফে লন্ডন এর বিশেষজ্ঞরা অন্তর্ভুক্ত।

যে প্রযুক্তি বিদ্যা দিয়ে এটি জানা গেছে, সেটা আসলে সিসমিক ডাটা কালেক্শনের পদ্ধতি।

আগে কেবল মাত্র ভূমিকম্প বা সূনামীর খবর রাখার কাজে এটি ব্যাবহার করা হত।

এই বারে এই একই পদ্ধতিতে হীরার পাহাড়ের খোঁজ পাওয়া গেছে।

Please follow and like us:
Loading...