Press "Enter" to skip to content

বেড়োর মুরতো গ্রামের বাজারে লকডাউন ভেঙ্গে ভিড়

বেড়ো: বেড়োর মুরতো গ্রামের বাজারে আবার লকডাউন ভেঙে যায়। প্রশাসন মানুষকে একে

অপরের থেকে আলাদা থাকার নির্দেশ দেওয়ার পরেও মানুষ এই বাজারে সামাজিক দূরত্বের

নিয়মগুলি অনুসরণ করেনি। আজকে বেড়ো লকের মুরতো গ্রামে অবস্থিত বাজারে এই দৃশ্যটি দেখা

গেছে। একদিকে করোনার মতো বিপজ্জনক ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে সরকার 21 দিনের লকডাউন

চাপিয়েছে। যেখানে সরকার ক্রমাগত লোকেদের করোন ভাইরাস থেকে রক্ষা করতে এবং সামাজিক

দূরত্ব অনুসরণ করতে বলছে, সেখানে লোকদের ভিড় না করে, ঘরে বসে। অনেক গ্রামের লোক

বেড়োর মুরতো গ্রামে এসেছিল। এটা অবশ্যই গ্রাম্য প্রচলন যে গ্রামের এই ধরনের বাজারে আশে

পাশের সমস্ত লোক জড় হয়। আসলে এই বাজারে আসার মাধ্যমে তারা একে ওপরের সাথে সম্পর্ক

রেখে চলে। তবে বার বার বোঝানোর পরেও বাজারে এই ধরনের লকডাউন ভাঙ্গা চিন্তার বিষয় হয়ে

দাড়িয়েছে। আগে থেকে বোঝানো সত্তেও লোকেরা বেড়োর মুরাতো গ্রামে বাজার স্থাপন এবং ভিড়

জমায়েত এবং শাকসবজি বিক্রি করতে দেখা গেছে। লকডাউন চলাকালীন সময়ে সকালে বেড়ো,

টুকো, মুরতো সহ অনেক গ্রামে শাকসবজি ক্রয়ের বিক্রয়ের জন্য ভিড় হয়। একই ব্লক প্রশাসন

ক্রমাগত করোনার মতো বিপজ্জনক ভাইরাস সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করছে। প্রশাসনকে সামাজিক

দূরত্বের আওতায় লোকেরা দোকান স্থাপন ও বিক্রয় বিক্রয় করতে বলা হচ্ছে। তবে গ্রামবাসীরা

বলছেন যে আমরা মানুষ এবং আমরা ভিড়ের মধ্যে শাকসব্জী কিনব। এটি সম্ভাব্য করোনার ভাইরাস

সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়েছে।

বেড়োর মুরতো বাজারের অবস্থা চিন্তার বিষয়

আজ বেড়োর মুরতো গ্রামের এই অবস্থা দেখে কিছু বুদ্ধিমান লোককে নিজেদের মধ্যে এই পরিস্থিতি

নিয়ে আলোচনা করতে দেখা গেছে। তিনি আরও অবাক হয়ে গিয়েছিলেন যে সরকার বার বার তার

বিপদ সম্পর্কে অবহিত করার পরেও সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে না যে এই বিপদটি নিজেই একটি

খুব বিপজ্জনক পরিস্থিতি। একবার সংক্রমণ এক জায়গায় ছড়িয়ে পড়লে গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ

করা কঠিন হয়ে পড়বে।


 

Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!