My title page contents Press "Enter" to skip to content

রাজ্য সরকারের ‘গ্রিনসিটি প্রকল্প’ এ সাজছে মুর্শিদাবাদের প্রবেশদ্বার বহরমপুর




মুর্শিদাবাদ: রাজ্য সরকারের সবেতেই মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুর থেকেছে প্রথম সারিতে।




এবার সেই শহরের আনাচে-কানাচে ছড়িuয়ে ছিটিয়ে থাকা নানান ঐতিহ্য ‘গ্রিনসিটি’  প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে

তুলে ধরার পাকাপাকি ব্যাবস্থা শুরু হল তৃণমুল কংগ্রেস পরিচালিত বহরমপুর পুরসভার হাত ধরে।




ঢেলে সাজানো হচ্ছে শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যের এই শহর বহরমপুরকে।

শহরের অন্যতম প্রবেশপথ ভাগিরথী নদীর উপর  রামেন্দ্র সেতু লাগোয়া  ট্যুরিস্ট লজের কাছে

ঝাঁ চকচকে অত্যাধুনিক পুরতোরণ  নির্মাণ করছে বহরমপুর পুরসভা।

সেক্ষেত্রে ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটিয়ে  ইলেক্ট্রনিক্স ডিসপ্লে বোর্ডের ব্যবস্থা থাকছে

বলে  জানান বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান নীলরতন আঢ্য।

এই সুদৃশ্য প্রবেশ তোরণের মাধ্যমে শহরে প্রবেশের ফলে ১৪০ বছরের ঐতিহ্যশালী বহরমপুরের সম্পর্কে

রাজ্যবাসীর সম্যক ধারনা হবে।

শুধু প্রবেশ তোরণ নির্মাণ নয়, বহরমপুরকে গ্রীণ সিটি  হিসাবে গড়ে তুলতে বহরমপুর পুরসভা

ইতিমধ্যে ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে  একগুচ্ছ কাজ শুরু করেছে

ও বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে বলে পুরসভার প্রোজেক্ট কোঅর্ডিনেটর নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় জানান।

বহরমপুরের অন্যতম আকর্ষণ ঐতিহ্যবাহী লালদিঘীকে সাজানো হচ্ছে

ল্যান্ডস্কেপিং, রোপওয়ে, হ্যাঙ্গিং ব্রীজ, গার্ড ওয়াল।

বিউটিফিকেশনের জন্য  ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজ  শুরু হয়েছে।

ইতিমধ্যেই   অম্রুত প্রকল্পের অধীনে ৩৫লক্ষ টাকা ব্যায়ে লালদিঘী এলাকাজুড়ে

ফুটপাথ তৈরীর কাজ  চলছে।

রাজ্য সরকারের বস্তির উন্নয়নের কাজ শুরু হবে

রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বহরমপুর শহরে বিভিন্ন বস্তি উন্নয়নের কাজ শুরু করতে চলেছে বহরমপুর পুরসভা।

গঙ্গার ধারে গান্ধী কলোনী, জগন্নাথ ঘাট কলোনি ,সৈদাবাদ রাজবাড়ী বস্তি এলাকাগুলিতে

প্রায় চল্লিশ হাজার বস্তিবাসীর জন্য ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে বাড়ি নির্মাণ

ও বস্তি এলাকাগুলির সবুজায়ন ও পার্ক নির্মাণ করা হবে যাতে বস্তিবাসিরা স্বাচ্ছন্দ্য পায়।

ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পাওয়া গিয়েছে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে।

এছাড়াও বহরমপুর পুরসভা এলাকার মধ্যে অবস্থিত বিভিন্ন জলাভূমিগুলির সংস্কার

ও সৌন্দর্যায়নের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও জলাভূমিগুলির পাড় বাঁধানো ,গাছ লাগানো ও সংস্কার করা হবে।

জলাভূমিগুলির মালিকদের সঙ্গে কথা বলে নিকাশি ব্যাবস্থার উন্নয়ন ও মাছ চাষের উপর জোর দেওয়া হবে,

যাতে এলাকার মানুষ স্বনির্ভর হতে পারেন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়ে।

রাজ্য যুব তৃনমুল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা মুর্শিদাবাদের প্রচার মুখ সৌমিক হোসেন বলেন,

“মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া যে কোনরকম উন্নয়ন সম্ভব নয়,

তার জলজ্যান্ত প্রমান এই প্রোজেক্ট গ্রীনসিটি প্রকল্প,

যেখানে  জলাভূমিগুলির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের ফলে একদিকে শহরের নিকাশি ব্যাবস্থা উন্নয়ন হবে”।

অপর দিকে কাশিমবাজার ‘নীরের মাঠ’ এলাকাতেও  গ্রীনসিটি প্রকল্প গড়ে তুলছে পুরসভা”।

এই ব্যাপারে  বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান নীলরতন আঢ্য বলেন,

বহরমপুর শহরের অমূল্য সম্পদ হচ্ছে এই ভাগীরথী নদী,যা শহরের মধ্যে দিয়ে  বয়ে চলেছে।

গঙ্গার পাড়ের   সৌন্দর্যায়ন ও ফুটপাথ তৈরির কাজ চলছে।

পাশাপাশি বহরমপুরের বিভিন্ন  রাস্তাগুলির যানজট কাটাতেও ফুটপাথ তৈরি করা হচ্ছে।

বহরমপুর স্টেডিয়াম লাগোয়া রাস্তার অপর প্রান্তে দমকল কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় সবুজায়ন করা হচ্ছে।

যাতে বহরমপুর রেল ষ্টেশনে নেমে শহরে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে সবুজ গাছগাছালি দেখে

পর্যটকদের যেন চোখ জুড়িয়ে যায়”।

তাই কেবল সময়ের অপেক্ষায় বহরমপুর গ্রীণসিটি প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে হতে চলেছে এক নতুন কল্পতরু।



Spread the love
More from কাজMore posts in কাজ »
More from পশ্চিমবঙ্গMore posts in পশ্চিমবঙ্গ »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.