My title page contents Press "Enter" to skip to content

মহাকাশ বিজ্ঞানিরা আবার সতর্ক করলেন নতূন উল্কাপিণ্ডের ব্যাপারে




  • আকাশে ঘুরতে থাকা এই পাথরগুলির ওপর সর্বদা নজর

  • এক ডজন উল্কাপিণ্ড এগিয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে

  • 27 জুন পাশ ঘেঁসে বেরিয়ে যাবে একটি

  • কেউ জানার আগেই এগিয়ে গেল একটি


প্রতিনিধি

নয়াদিল্লীঃ মহাকাশ বিজ্ঞানিরা আবার উল্কাপিণ্ডের ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন।

এই বার একটা না এক ডজন উল্কাপিণ্ড পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে।

আমেরিকান স্পেস এজেন্সি নাসা তার কেন্দ্র থেকে এই তথ্য জানায়।

তবুও নাসা বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই সকল পাথরগুলির সাথে পৃথিবীর সরাসরি সংঘর্ষের কোন ঝুঁকি নেই।

তবুও এগুলোর ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে যাতে তাদের দিক এবং গতিতে পরিবর্তনের ছাড়া তার অবস্থান পাল্টালে জানা যায়।

নাসা গবেষণা কেন্দ্র নিয়ার অর্থ অবেজেক্টস স্টাডিজ (এনইও) বছর 2200 পর্যন্ত পৃথিবীর

নিকটবর্তীগুলি সবকটা উল্কাপিণ্ডের ওপর নজর রেখে চলেছে।

এ সবগুলো উল্কাপিণ্ডর ওপর তাই মনোযোগ দেওয়া হয় কারণ এটি সবগুলি সূর্যের চারপাশে ঘোরপাক খাচ্ছে।

এই নজর রাখাও জরুরী, কারণ অনেক বার গ্রহসমূহের পাশ দিয়ে যাবার সাথে সাথে তারা সম্পর্কিত গ্রহের মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবে চলে আসে।

তখন তাদের গতি ও রাস্তা পরিবর্তিত হয়।

আকাশে ঘুরপাক খাওয়া এমন সব উল্কাপিণ্ডও আছে যাদের নিজস্ব চাঁদ আছে।

এই ছোট উল্কাপন্ড তাদের মূলের কাছাকাছি ঘুরে চলছে।

অনেক সময় এই ছোট উল্কাপিণ্ড গুলির রাস্তা থেকে সরে যাবার ঝূঁকি থাকে।

মহাকাশ বিজ্ঞানিরা জানিয়েছেন যে গত ২৪ ঘণ্টার ভিতরে এ রকম তিনটি উল্কাপিণ্ড

পৃথিবীর কাছ থেকে ঘুরে গেছে। তাই মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বেশি সতর্ক নজর রেখেছিলেন।

মহাকাশ বিজ্ঞানিরা উল্কাপিন্ডের তালিকাও প্রকাশ করেছেন

মহাকাশ বিজ্ঞানিরা জানিয়েছেন যে এই সমস্ত উল্কাপিণ্ড পৃথিবীর কাছ থেকে বেরিয়ে যাবে।

এদের নাম হল 2109 এলএল 1, ২013 এএ 14, 2019 কেজি, 2019 এলইউ, 2019 এলআর, 2019 এলসি 1,

2019 এলবি 2, 2019 এলএম 1, 2010 এনওয়াই 65, 2008 আরভি 2, 2016 এনএন 15

এবং 2019 এলভি 1।

এর মধ্যে থেকে 2008 আরভি 2 এর পৃথিবী সবথেকে কাছে আসবে।

এই ঘটনাটি আগামী 27 জুন হবে। এটা এখন 25,700 মাইল প্রতি ঘন্টা গতি এগিয়ে আসছে।

বিজ্ঞানীরা এর আকার এবং গতির ভিত্তিতে উপর অনুমান করা হয়েছে যে যদি এই পৃথিবী বা অন্য কোন গ্রহের উপর পড়ে যায় তাহলে খুব বড় ধ্বংস করতে পারে।

পৃথিবীতে পড়লে এটি প্রায় 660 মিটার গভীর গর্ত তৈরি করতে পারে।

এর সংঘর্ষ থেকে পৃথিবী রিচেক্টার স্কেলে সাতটি আকারের ভূমিকম্পও হতে পারে।

অর্থাৎ এই আকার এবং গতির কোন উপগ্রহের সংঘর্ষ থেকে পৃথিবীতে বড় বিপদ ঘনিয়ে আসতে পারে।

কিন্তু এই বারে এই উল্কাপিণ্ড নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই। এ

টি পৃথিবী থেকে প্রায় 42 লাখ মাইল দূরে যাবে।

কিন্তু মহাকাশ বিজ্ঞানের হিসেবে এটি খূব কাছের দুরত্ব।

বিশাল মহাকাশের আমাদের বিশাল সৌরজগতের হিসেবে এটি মাত্র এক মুহূর্তের মতো দূরত্ব।

তবে পৃথিবীর ওপরে না এলেও এর কিছূটা পৃথিবীতে আসতে পারে।


মহাকাশ বিজ্ঞানের আরও কিছু ভাল খবর এখানে পড়ুন




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.