My title page contents Press "Enter" to skip to content

অসমে মুসলিম যুবকদের মারধর করে ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করল দুর্বৃত্তরা




গুযাহাটি (ওয়েবডেস্ক)- অসমে মুসলিম যুবকদের মারধর করে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিতে বাধ্য করেছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। রোববার এনডিটিভি ওই তথ্য জানিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে প্রকাশ, শুক্রবার ভোরে ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ মেডিকেল কলেজ পাশের এলাকায়

চার মোটরবাইক আরোহী দুর্বৃত্ত এক মেডিকেল স্টোরে পৌঁছে তাদের কর্মী রাকিৱুল হককে মারধর করে।

অসমে ওয়েস্ট বরপেটা ট্রেডার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জাকির হুসেন বলেন,

দুর্বৃত্তরা কুরবান খান ও ৱুরহান আলীকেও ধরে ফেলে

যারা একটি চায়ের দোকানে কাজ করছিলেন এবং বিনা কারণে তাদের গালা গালি দেয় ও মারধর করে।

এসময় ওই তিনজনকেই ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিতে বাধ্য করে।

পুলিশ বলছে, এ ব্যাপারে আমরা একটি এফআইআর ও তদন্ত শুরু করেছি।

দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। দুর্বৃত্তদের মোটর সাইকেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে অসমে রাজ্য জমিয়তে উলামাযে হিন্দের অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক ও ইউডিএফের

কেন্দ্রীয় কমিটির সহ“সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদির কাশেমি রোববার বলেন,

অসমে মুসলিম যূবকদের ওপর এই হামলা আসলে ‘এটা একটা বৃহত্ ষড়য়ন্ত্র ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে।

ভারতে ধর্মনিরপেক্ষ মানুষ বা মানবতাবাদী মানুষদেরকে ভীত সন্ত্রস্ত করে সাম্প্রদাযিক

অপশক্তিগুলো তাদের রাজত্ব বিস্তার করার চেষ্টা করছে।

এগুলো সেই চেষ্টার একটা অঙ্গ।’ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক

শাস্তি না দিলে এসব বন্ধ হবে না বলেও মাওলানা আব্দুল কাদির কাশেমি মন্তব্য করেন।

অসমে মুসলিম সমাজ এর আগে থেকেই এনআরসি নিয়ে অসন্তুষ্ট।

অসমে মুসলিম যুবক ছাড়া এনআরসি রাগের অন্য কারণ

এর ভিতরে এক কারগিল সৈনিককে বাংলাদেশী বলে ডিটেন্শন সেন্টার পাঠানোর ব্যাপারটি আগুনে ঘি ঢেলেছে।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বার বার এই ধরনের আক্রমনের কথা বলে আসছে।

এর নিশানায় আসলে বিজেপির সরকার। তবে এই ব্যাপারে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল বিজেপিকে আরও সাহস জুগিয়েছে।

সারা উত্তর পুর্ব ভারতে বিজেপি ভাল ফল করার পরে অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল এখন বিজেপির চোখের মণি।

এছাড়া হিমন্ত বিশ্বশর্মাও এখন বিজেপি নেতাদের জন্য বড় নাম কেননা উত্তর পূর্ব নির্বাচনে বিজেপি আসল সেনাপতি তিনিই ছিলেন।

অসমে মুসলিম যুবক ছাড়াও এনআরসি তে নাম না থাকার ব্যাপারে একটি আক্রোশ জমে আছে।

সেখানকার নেতারা বারে বারে এই অজুহাতে রাজ্য সরকারের ওপর  হামলা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তাই এই খবর টা আসার পর পুলিস সতর্ক হয়েছে।



Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.