My title page contents Press "Enter" to skip to content

আলিপুরদুয়ার শহরের জলা জমি দখলের অভিযোগের তদন্তে নতূন তথ্য




আলিপুরদুয়ারঃ আলিপুরদুয়ার শহরে একটি সামান্য জলা জমি দখলের অভিযোগ ছিলো।

তার তদন্ত করতে গিয়ে কেঁচো খুড়তে রীতি সাপের হদিশ পাওয়ার মতো অবস্থা।

শনিবার আলিপুরদুয়ার শহরের বকরিবাড়ি এলাকায় উপল মুখর ক্লাবের উল্টোদিকে জলা জমি দখলের অভিযোগের তদন্ত করতে যান আলিপুরদুয়ার পুরসভার দুই আধিকারিক অভিজিত মন্ডল ও কমল মন্ডল।

স্থানীয় এলাকায় অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে একেবারে চক্ষু চড়ক গাছ দুই পুর আধিকারিকের।

কোথায় খালি চোখে দেখা যাচ্ছে জলাজমি অথচ বাস্তবে মালিক সেই জমির ক্ষতিয়ানভুক্ত থাকার কাগজ দেখাচ্ছেন সেই জমির মালিক।

আবার কোথায় একেবারে আধুনিক কায়দায় ৫ তলা বিল্ডিং উঠছে।

কিন্তু নির্মানের কোন অনুমতিই নেওয়া হয় নি আলিপুরদুয়ার পুরসভা থেকে।

আবার কোথাও ড্রেন দখল করে তৈরি করা হয়েছে কংক্রিটের দোকান।

বর্যায় সামান্য বৃষ্টিতেই ড্রেনের জল উপচে বাড়িতে ঢুকে পড়ছে।

ইতিমধ্যেই বকরিবাড়ি এলাকার রমেন সেনের নির্মান কাজ বন্ধ করে আলিপুরদুয়ার পুরসভায় নির্মান কাজের মালিককে পুরসভায় ডেকে পাঠিয়েছেন পুর আধিকারিকরা।

এলাকার মানুষদের সচেতন হয়ে পুরসভা ও প্রশাসনের কাছে যে কোন অনিয়মের অভিযোগ জানাতে বলেছেন পুরসভার আধিকারিকরা।

আলিপুরদুয়ার পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার কমল রায় বলেন, “ আমরা মুলত জলাভুমি দখল করে কংক্রিটের প্রাচীর দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।

সেই অভিযোগের তদন্ত করতে আমরা মহকুমা শাসকের নির্দেশে এলাকায় অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এসেছি।

এলাকায় এসে প্রচুর অনিয়ম আমাদের নজরে এসেছে। আমরা সব ঘটনার তদন্ত করব।”

এদিকে যার নির্মান কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন পুরসভার আধিকারিকরা সেই ব্যাক্তি রমেন সেন বলেন, “ আমার জমির কাগজ রয়েছে।

সকলে মাটি ফেলে ড্রেন ভরে ফেলেছেন। কিন্তু আমি পিলার দিয়ে নির্মান তুলছি তাই নিয়ে পুরসভার মাথা ব্যাথা।

আমাকে পুরসভায় ডেকেছেন আমি গিয়ে আমার বক্তব্য বলব।”

স্থানীয় বাসিন্দা দীলিপ রায় বলেন, “ চোখে দেখা যাচ্ছে জলাভুমি।

আলিপুরদুয়ার পুর সভার অফিসারদের জমির কাগজ দেখালেন মালিক




পঞ্চাশ বছর আগে থেকে এই দিক দিয়ে শহরের বিস্তৃর্ন এলাকার বৃষ্টির জল কালজানি নদীতে গিয়ে পড়ে।

আর এখন শুনছি এই জলাভুমি ক্ষতিয়ান ভুক্ত বাস্তজমি। এটা কি করে সম্ভব।

এই ভাবে জলাভুমি আটকে দেওয়ার ফলে বৃষ্টির সময় ড্রেনের জল উপচে বাড়ি ঘরে ঢুকে পড়ছে।

শহরে কি কোন আইন নেই। যার যা খুশি তাই করা হচ্ছে। আমরা অভিযোগের তদন্ত দাবি করছি।”

জানা গেছে এদিন যে জায়গায় জলাভুমি দখল করার অভিযোগ উঠেছিল সেই জায়গার মালিক সেই জমি ক্ষতিয়ানভুক্ত বাস্তুজমি বলে পুরসভার প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাগজ দেখিয়েছেন।

এদিকে স্থানীয় কিছু মানুষ জানিয়েছেন যে কাগজ উনি দেখাচ্ছেন সেটি ওই জমির নয়।

অন্য জমির কাগজ তিনি পুর প্রশাসনিক আধিকারিকদের দেখিয়েছেন।

বিষয়টি নিয়ে আলিপুরদুয়ার পুরসভার প্রশাসনিক আধিকারিক কৃষ্ণাভ ঘোষ বলেন, “ আমরা অভিযোগ পাওয়া মাত্র ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।

ওই অভিযোগের তদন্ত করার জন্য পুর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকায় যাওয়া হয়েছিল।

আমরা সব দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত করব।




Spread the love
More from ব্যবসাMore posts in ব্যবসা »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.