রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সমঝোতা স্মারক সই করেছে ইউএনএইচসিআর

0 8
জেনেভা (এজেন্সী) – মিয়ানমারের রাখাইন থেকে বাংলাদেশে এসে আশ্রয নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ|
শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে ইউএনএইচসিআরের সদর দফতরে এই স্মারক সই হয়েছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক এবং ইউএনএইচসিআরের মহাপরিচালক ফিলিপো গ্র্যােন্ডি নিজ নিজ পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন|
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তারা বলেন, এই সমঝোতা স্মারক সইয়ে ফলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়াটি সহজ হবে|
রোহিঙ্গারা য়ে স্বেচ্ছায নিজ দেশে ফেরত গেছেন, এর মাধ্যমে সেটিও নিশ্চিত হওয়া যাবে|
মন্ত্রণালয়ে একজন কর্মকর্তা বলেন, এর আগে ১৯৯২ সালে যখন রোহিঙ্গারা এসেছিল, তখনও আমরা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে একই ধরনের চুক্তি করেছিলাম|

সমঝোতা স্মারকটি চুড়ান্ত শর্ত গুলি নেওয়া হয়েছে

সেই চুক্তির আদলে এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায নিয়ে নতুন করে সমঝোতা স্মারকটি চূড়ান্ত করে সই করা হয়েে|
মন্ত্রণালয সূত্রে জানা গেছে, সমঝোতা স্মারকে রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার অধিবাসী হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে।
চুক্তিতে প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত বিষয়ে সরকার ও জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার ভূমিকা ও কার্য ক্রম সম্পর্কে বিশদভাবে বলা আছে|
স্মারক অনুয়াযী, রোহিঙ্গাদের তথ্য সরবরাহ, কাঠামো তৈরির জন্য জমি দেওয়া ও অন্যান্য সুবিধা নিয়ে কাজ করবে সরকার|
অন্যদিকে, রোহিঙ্গাদের যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া, তাদের অস্থাযী ক্যাম্পে নিয়ে য়াওয়া, চিকিত্সা ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি মিয়ানমারে ফিরে য়াওয়ার পর রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার বিষযগুলো নিয়ে কাজ করবে ইউএনএইচসিআর|
এর আগে, গত জানুয়ারি মাসে সরকার ও শরণার্থী সংস্থা তথ্য সরবরাহ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল, য়া মূল প্রত্যাবাসন চুক্তির সহাযক হিসাবে কাজ করবে|
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে সামরিক বাহিনীর আক্রমণ শুরু হলে প্রাণ বাঁচাতে রোহিঙ্গারা দলে দলে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু করেন|
সেই থেকে এখন পর্যশন্ত প্রায সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয নিয়েছেন|
এর মধ্যে তাদের প্রত্যাবাসনের জন্য দুই দেশের সরকার দু’টি চুক্তি করেছে|
এ নিয়ে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে|

You might also like More from author

Comments

Loading...