Press "Enter" to skip to content

অনাহারে বৃদ্ধার মৃত্যুর খবর শুনে সাবধান গোলা প্রশাসন

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের নিজের এলাকায় অনাহারে মৃত্যুর খবর তোলপাড়

করতে চলেছে। কোরোনা নিয়ে সবাই ব্যাস্ত বলে এই ব্যাপারে এখন পর্য্যন্ত খুব একটা

ঝামেলা হয় নি। তবে এটা নিশ্চিত যে অবস্থ্যা সামান্য হবার পরে এই ব্যাপারটি ঝামেলা

বাড়াবে। এর আগেও অনাহারে মৃত্যু নিয়ে রাজ্য তোলপাড় হয়েছে

রামগড়: অনাহারে বৃদ্ধার মৃত্যুর আলোচনায় গোলা এবং রামগড় প্রশাসনের মাথার ঘাম পায়ে

পড়ছে। অনাহারে এই মহিলার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে খুব শীঘ্রই সমস্ত লোককে রেশন বিতরণের

কাজ শুরু হয়েছিল। তবে এরই মধ্যে কর্মকর্তারা অস্বীকার করতে পারেননি যে গত দুই বছর ধরে

ওই মহিলা রেশন পাননি।

ভিডিও তে দেখে নিন পূরো ব্যাপারটা

মনে রাখবেন প্রাক্তন মুখ্যসচিব রাজবালা ভার্মার একটি ভূল সিদ্ধান্তের কারণে পুরো রাজ্যে রেশন

বিতরণ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছিল। তার পর থেকে এই সিস্টেমটি পুরোপুরি সামান্য ভাবে ফিরে আসে

নি। এমনকি এই ধরণের ক্ষুধা নিবারণের জন্য রাজ্যের প্রত্যেক মুখিয়া মানে গ্রাম প্রধানকে আলাদা

তহবিল সরবরাহ করা হয়েছে। এর পরেও তথ্যের অভাবে দরিদ্র অসহায় মানুষ এই ব্যবস্থার লাভ

নিতে পারছে না। অনাহারে বৃদ্ধার মৃত্যুর ব্যাপারে বাড়ির লোকেরা স্পষ্ট ভালে বলছে যে সে না খেতে

পেয়ে মারা গেছে। রেশন পাবার জন্য বাড়ির লোকেরা অনেক বার এদিক ওদিক গিয়েছিলো কিন্তু

কাজ হয় নি। এ বিষয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরা স্পষ্ট করে বলেছিলেন যে কোনও রেশন ছিল না

এবং বারবার চেষ্টা করেও তারা রেশন পাননি। এই কারণে, অনাহারে বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে

গোলার ব্লক ডেভলপমেন্ট অফিসার কুলদীপ কুমার বলেছিলেন যে অনাহারে বৃদ্ধার মৃত্যু হয় নি।

লাশটি পোস্টমর্টেমের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের পরেও মৃত্যুর কারণগুলি প্রকাশিত হবে।

জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করেছেন যে গত দুই বছর ধরে ওই মহিলাকে রেশন দেওয়া হয়নি।

অনাহারে বৃদ্ধার মৃত্যুর ঘটনা সংগ্রামপুর গ্রামে

রামগড় জেলার গোলা ব্লকের সংগ্রামপুর গ্রামের ৭৫ বছর বয়সী মহিলা উপসি দেবী তার বাড়িতে

মারা যান। গৃহস্থালি এবং আশেপাশের লোকেরা এটিকে অনাহারের মৃত্যু বলে। এটি একটি

আশ্চর্যজনক পরিস্থিতি যে দেশব্যাপী লকডাউনের কারণে বেশিরভাগ লোকেরা তাদের বাড়িতে

বন্দী। অসহায় ও দরিদ্রদের খাবার সরবরাহের জন্য অনেক পরিকল্পনা চলছে। এর পরেও অনাহারে

বৃদ্ধার মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না। এই এক মৃত্যুর পরে, বিডিও তড়ি ঘড়ি করে সেই বাড়ির অন্য

লোকেদের 35 কেজি খাদ্যশস্য দিয়েছিল। অন্যদিকে, ব্লক অফিসের অন্যান্য ব্যক্তিরাও যুদ্ধের পর্যায়ে

রেশন কার্ড ছাড়াই জনগণের মাঝে খাবার বিতরণ করতে মাঠে নেমেছেন। তবে না খেতে পেয়ে যার

মারা যাবার ছিলো, সে আর পৃথিবীতে বেঁচে নেই


 

Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!