ধেয়ে আসছে আরও এক ঘূর্ণি, ‘তিতলি’র পর আন্দামানে উঁকি দিচ্ছে ‘গাজা’

gaza cyclone
Spread the love

এজেন্সী-তিতলি ঘূর্ণীঝড়ে উড়িষ্যাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

পূজোর ঠিক আগে এই ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে কয়েক হাজার মানুষ ঘরছাড়া।

পূজোর রেশ কাটতে না কাটতেই আবার ঘূর্ণীঝড়ের ইঙ্গিত মিলল আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে। 

ফের দুর্যোগের ঘনঘটা বাংলার আকাশে।

আবারও ভিলেন সেই নিম্নচাপ।

পূর্বাভাস ছিলই ‘তিতলি’র পর ‘গাজা’ ধেয়ে আসতে পারে।

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া সেই নিম্নচাপ লক্ষ্মীপুজোর আগেই হানা দিতে পারে বাংলার উপকূলে।

আবহবিদদের বার্তা অনুযায়ী এই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

তাহলেই কোজাগরির চন্দ্রালোকিত রাতে ঘনিয়ে আসবে অন্ধকার।

তিতলি বিদায়ের পরই আবহ আধিকারিকরা জানিয়েছিলেনবঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ বাসা বাঁধতে পারে ফের।

এই উৎসবের মরশুমেই ধেয়ে আসতে পারে নিম্নচাপের ঘনঘটা।

যার জেরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। 

তবে আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকদের ধারণা,

এবারের নিম্নচাপের কারণে বাংলার থেকে বেশি প্রভাব পড়তে পারে প্রতিবেশী রাজ্য ত্রিপুরা ও মিজোরামে।

পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে কিঞ্চিত প্রভাব পড়তে পারে।

কিন্তু ব্যাপকভাবে পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলি প্রভাবিত হবে না। 

পূর্বাভাস অনুযায়ী,নিম্নচাপ অক্ষরেখার হদিশ মিলেছে।

সেই নিম্নচাপ ঘনীভূত হতে পারে আন্দামান সাগরে।

২১ থেকে ২২ অক্টোবরের মধ্যেই তা ঘনীভূত হতে পারে।

এই নিম্নচাপ ২৩ থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে চট্টগ্রাম ও মায়ানমারে প্রবেশ করতে পারে।

এবারের নিম্নচাপ যদি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়, তবে তার প্রভাবে প্রথম বাংলাদেশ ও মায়ানমারের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টি হবে।

সেই ঝড়ের গতিবেগ হবে ৫৫ কিলোমিটার থেকে ১০০ কিলোমিটার।

বাংলাদেশ ও মায়ানমারের উপকূল ধরে এই ঘূর্ণিঝড় হানা দিতে পারে মিজোরাম ও ত্রিপুরায়।

নিম্নচাপ ঘনীভূত হলে ২৩ থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলা, বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ২৪ পরগনাতেও।

তবে এই নিম্নচাপের প্রভাব অন্যান্য জেলায় যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। 

নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে উত্তর-পূর্ব ভারত ভাসাতে পারে।

সেক্ষেত্রে ত্রিপুরা ও মণিপুরে প্রবল বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। হতে পারে ঝড়।

ঝড়ের সঙ্গে বর্ষণ প্রবল আকার নিতে পারে উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্য রাজ্যগুলিতেও।

এমনিতেই ধসে নদীর স্রোত আটকে বিপত্তি বেঁধে রয়েছে অসমে।

Author: Bangla R khabar

Loading...