Press "Enter" to skip to content

১৫ ডিসেম্বরের পরেই আকাশে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে ৬ টি শকুন

আলিপুরদুয়ারঃ ১৫ ডিসেম্বরের পরেই আকাশে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে ৬ টি
শকুন।এই শকুনগুলিকে রাজাভাতখাওয়া শকুন প্রজনন কেন্দ্র থেকে ছাড়া
হবে।

ইতিমধ্যে ওই ৬ টি শকুনের গায়ে স্যাটেলাইট ট্রানমিশনের ড্যামি
ব্যাকপ্যাক লাগানো হয়েছে।যাতে শকুনগুলি অভ্যস্ত হতে পারে।

কেন্দ্রীয় টেলিমন্ত্রক থেকে ছাড়পত্র ও মিলেছে।২২ গ্রাম ওজনের নকল
স্যাটেলাইটের ব্যাকপ্যাক লাগানো ৬ টি শকুন এখন মুক্তির প্রতীক্ষায়।

প্রজনন কেন্দ্রের ভেতরে আকাশে ওড়ার মহড়া চলছে।আসল ব্যাকপ্যাকের
ভেতর থাকবে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিশন ট্যাগ।

হিমালয়ান গ্রীফন প্রজাতির এই শকুন গুলিকে আকাশে উড়ার পর যাবতীয়
খবর পাওয়া যাবে। এখান থেকেই।

ইতিমধ্যে ওই স্যাটেলাইট টান্সমিশন আমেরিকা থেকে কিনে এনেছে বনদফতর। শকুনের যাতে উড়তে অসুবিধে না হয় সে জন্য নকল
ব্যাকপ্যাক লাগিয়ে মহড়ার কাজ চলছে।

সারা বিশ্বে হঠাত করে শকুনের জনসংখ্যা কমে গেছে। তাই তাঁদের বাঁচিয়ে
রাখার জন্য সারা পৃথিবীতে এই ধরনের প্রকল্প চালান হচ্ছে।

শকুন কম হয়ে যাবার কারণে মৃত পশুর শব পঁচে অন্য ধরনের বিপদ
ডেকে  আনছে। আসলে শকুন কে বলা হয় জংগলের সাফাই কর্মী। কোন
পশু মারা গেলে, তার লাশ খেয়ে শেষ করে এই শকুনের দল।

তাঁদের সংখ্যা কম হবার কারণে জংগলে এবং গ্রামের এলাকায় এই
সমস্যাটি দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। বলা হয় যে আসলে অনেক বিষাক্ত
ধরনের কীটনাশকের কারণে এই শকুন গুলি, দল কে দল মারা গিয়েছে।

বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা
শুভঙ্কর  সেনগুপ্ত বলেন,ওই স্যাটেলাইট
ট্রান্সমিশন মাত্র ২২ গ্রামের।  তাতে
শকুনের ঊড়ার অসুবিধে হবে না।ঠান্ডা
কমলেই ১৫ ডিসেম্বরের পর ৬ টি শকুন
খোলা আকাশে ছেড়ে দেওয়া হবে।

এখানে উল্লেখ্য,পিঞ্জরের পর বক্সা ব্যাঘ্র
প্রকল্পে দ্বিতীয় শকুন প্রজনন কেন্দ্র গড়ে
তোলা হয়েছে।

বিভিন্ন এলাকা থেকে বিলুপ্ত প্রজাতির
শকুন উদ্ধার করে এখানে বংশ বৃদ্ধি

করা হচ্ছে।

বর্তমানে রাজাভাতখাওয়া শকুন প্রজনন কেন্দ্রে চার প্রজাতির ১৩০ টি
শকুন  রয়েছে।এই চার প্রজাতি হল স্ল্যান্ডার বিল্ড,লং বিল্ড,হোয়াইট ব্যাক
বিল্ড,ও হিমালয়ান গ্রিফন প্রজাতির।

১৫ ডিসেম্বরের আগে চলছে শকুনদের প্রশিক্ষণ 

দীর্ঘদিন ধরেই খোলা আকাশে শকুন ছাড়ার পরিকল্পনা করে বনদফতর।
ভারতে প্রথম পিঞ্জরে ২০১৬ সালে খোলা আকাশে শকুন ছাড়া হয়েছিল।

সে জন্য কেন্দ্রীয় টেলিমন্ত্রকের অনুমতি ও নিয়েছিল বনদফতর।পিঞ্জর কে
মডেল  করে ফের বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের শকুন প্রজনন কেন্দ্র থেকে শকুন
খোলা আকাশে  ছাড়ার উদ্যেগ নেয়।


 

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  

One Comment

Leave a Reply

Mission News Theme by Compete Themes.
error: Content is protected !!