Press "Enter" to skip to content

দূনিয়ায় ২০১৭ সালে পরিবেশবান্ধব ঘটনা কী ঘটেছে ?

Spread the love



রাঁচি  (এজেন্সী) – ২০১৭ সালটিকে মোটেই পরিবেশবান্ধব বছর বলা যায না| ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো পরিবেশবিরোধী মানুষ ক্ষমতায এসেছেন এ বছর| পরিবেশের ক্ষতি হওযার মতো ঘটনাও ঘটেছে অসংখ্য| কিন্তু একেবারে ভেঙে পড়ার কারণ নেই|
বাই বাই ডিজেল-
ভারত, ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের মতো বেশ কিছু দেশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, গ্যাস এবং ডিজেল চালিত গাড়ির সংখ্যা কমিযে ইলেকট্রিক চালিত গাড়ি তৈরিতে জোড় দেওযার|
বিশ্বে সবচেযে বেশি গাড়ি প্রস্তুত করে চীন| তারাও কেবলমাত্র জৈব জ্বালানি দিযে চালিত গাড়ি ‘ব্যান’ করার একটি পরিকল্পনা করেছে| পরিবেশবান্ধব জ্বালানির দিকে এক ধাপ এগোতেই পারে ২০১৮|
মৌমাছির স্বপ্ন –
জীব বৈচিত্রে মৌমাছিদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ| কিন্তু সেই মৌমাছিরাই এখন অস্তিত্ব সংকটে| নিওনিকোটিনযেসের মতো কীটনাশকের ব্যবহারের কারণে, মৌমাছিরাও বিলুপ্তির পথে| আশার কথা, ইউরোপীয কমিশন তিনটি ক্ষতিকারক নিওনিকোটিনযেস বন্ধের পরিকল্পনা করেছে| যদিও এখনো অনেক কাজ বাকি|
কার্বনহীন ভবিষ্যত্ –
জার্মানির মতো বিশ্বের বহু দেশেই শক্তি উত্পাদনে কযলা এখনও প্রাথমিক জ্বালানি| বিকল্প শক্তির দাবিতে ও কযলার ব্যবহার বন্ধ করতে ২০১৭ সালে এই দেশগুলিতে আন্দোলন হয়েছে ২০৩০ সালের মধ্যে কযলার ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ইইউ“র বহু দেশ|
নতুন কারখানাগুলিতে কযলার ব্যবহার যাতে না হয, তার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে ইউরোপের অধিকাংশ জাতীয এনার্জি কোম্পানি| তবে পোল্যান্ড ও গ্রিস এখনও এ বিষযে সহমত হযনি|
সমুদ্র মন্থন  –
পরিবেশ আলোচনার অন্যতম বিষয এখন সামুদ্রিক দূষণ| ২০১৭ সালে ২০০টি দেশ সামুদ্রিক দূষণ কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল| ইউরোপীয ইউনিযনের দেশগুলিও সমুদ্রে মাইক্রোপ্লাস্টিক ছড়ানো বন্ধ করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে| ই“ওযে্টের বিষযে আরো কড়া মনোভাব নেওযার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে
ট্রাম্পকে পোছে কে?  –
ক্ষমতায আসার পর থেকে পরিবেশবিরোধী একের পর এক মন্তব্য করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প| কিন্তু এরও সদর্থক দিক আছে| ট্রাম্পের মন্তব্যের বিরোধিতা করছে বহু মার্কিন সংস্থা এবং সাধারণ মানুষ|
পরিবেশ বিষযে সচেতনতাও বাড়ছে| নভেম্বরে ‘কপ২৩’ সম্মেলনে ক্যালিফোর্নিযার গভর্নর জেরি ব্রাউন জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট যা“ই বলুন, পরিবেশ আন্দোলন বন্ধ হবে না| ট্রাম্পের মন্তব্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন তার প্রমাণ|
ফরাসি পরিবেশ  –
উষ্ণাযন বিরোধী পরিবেশ আন্দোলনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুযে মাক্রোঁ ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ| তাঁর ভূমিকা ‘সিম্বোলিক’ হতে পারে, কিন্তু তাঁর জন্যই পরিবেশচর্চা জনসমক্ষে আসছে|
১৮ জন আবহাওযা বিষযক গবেষককে তিনি গ্রান্ট দিয়েছেন| বহু মার্কিন গবেষক তাঁদের আবহাওযা সংক্রান্ত কাজ নিযে ফ্রান্সে চলে আসছেন ট্রাম্পের বিরোধিতা করে|
বিন্দু জমেই সিন্বু  –
বিশ্ব জুড়ে সাধারণ মানুষ পরিবেশ বান্ধব কাজ করছেন| সব খবর শিরোনামে আসে না| বিন্দু জমেই সিন্বু হয| যা ভবিষ্যত উন্নতির সোপান হতে পারে| উদাহরণ হিসেবে ফিজির মামানুকা দ্বীপপুঞ্জের কথা বলা যায|
সেখানে কোরাল গ্রোযিং প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে আবার নিগারের পরিবেশকর্মীরা জিরাফদের জন্য অভযারণ্যের দাবিতে আন্দোলন করছেন|
স্বপ্ন দেখব বলে  –
গত বছরের এপ্রিলে, ব্রিটেনে প্রথম কনজারভেশন অপটিমিসম সামিট অনুষ্ছিত হয়েছে যেখানে পরিবেশবান্ধব বেশকিছু সদর্থক কাজের কাহিনি আলোচিত হয়েছে অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন, মধ্য ইউরোপে লিনসেক্স বা এক ধরনের বিলুপ্তপ্রায বনবিড়ালকে ফিরিযে আনা গিয়েছে|
ভারতে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে| এই শতাব্দীতে প্রথম এই সংখ্যাবৃদ্ধির ঘটনা ঘটল| সমস্যা থাকবে|

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.