৩০ বছর বা তাঁর বেশি বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করা হরে না – মুখ্যমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রী
রাঁচি (সং) – মুখ্যমন্ত্রী শ্রী রঘুবর দাস বললেন যে সমাজের প্রতিটি বিভাগের জনগণের সাথে সরকারের অগ্রগতি প্রযোজন|
অ“গ্রামীণ এলাকায় সরকারি জমি পুনঃ সংস্কারের কাজটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, রাজ্য সরকার কর্তৃপক্ষের তত্কালীন দেশের অনেক রাজ্য পরিদর্শন করেন এবং সেখানে কাজ করে এমন সিস্টেমের অধ্যয়ন করেন|
অন্যান্য রাজ্যে বিদ্যমান হার তুলনা করে, ঝাড়খন্ডের জন্য সর্বাধিক সরল ব্যবস্থা এবং নূ্য়নতম মূল্য গ্রহণ করা হয়্ছে|
পেমেন্টের মেযাদ বিস্তৃত করা হয়্ছে যাতে প্রতিটি স্তরের লোক এই পরিমাণ অর্থ প্রদান করে অনুমোদিত বসতিগুলির সম্মান পেতে পারেন|
তিনি বললেন বিরসা নগরের বাসিন্দারের সাথে সাথে সেইসব লোক যারা অ“ কোম্পানি
এলাকায় বছরের পর বছর ধরে তার রক্ত দিনের কষ্টার্জিত ঘাম থেকে নির্মিত বাড়িতে
বসবাস করতেন এবং যাকে আজকের তারিখ অবধি অননুমোদিত নিষ্পত্তিমূলক মধ্যে
ঠিকানা ছিল আজকের এই শিবিরের মাধ্যমে যারা পূর্বে ০১০১৮৫ বা ৩০ বছর আগে
মারা গিযেিল, তাদের প্রবর্তনের আবেদন ডেলিভারি সঙ্গে ঘটছে অনুমোদন দিতে
সরকারের সিদ্ধান্ত মাধ্যমে রাজ্যের আজ এইরকম আরও অনেক জনবসতি|
শ্রী দাস জামশেদপুরের বিরসানগরে সম্প্রদায় ভবনে আজ অ গ্রামাঞ্চল অবস্থিত
সরকারী জমি সংক্রান্ত ইজারা বন্দোবস্ত শিবির উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কথা বললেন|
মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে আমি বিশ্বাস করি যে আমি মুখ্যমন্ত্রী হযে উঠেছি, মুখ্যমন্ত্রীর পদকে সুন্দর
করার জন্য নয়|
বরং, জনগণ আমাকে নিজের প্রতিনিধি ও প্রধানমন্ত্রকে সহজ কাজ করার জন্য তৈরি করেছে|
রাজ্যতে বর্ষ ধরে স্থগিত থাকা সমস্যার এবং সেসবের জটিল মুদ্যাতে সরকার প্রতিবদ্ধ
থেকে মানুষের কল্যানকেপ্রাধান্য দিযে সিদ্ধান্ত নিযেে যে যারা স্থানীয় নীতি নির্ধারণ
এর প্যারামাউন্ট সুদ দ্বারা তৈরি করা হয়, লিজ নবায়নের খাসজমি মহল এবং
সরলীকৃত, ১২.৫ ডিসিমিল গ্রামাঞ্চলে ভূমিহীন দরিদ্র ভূমিহীন কৃষক সমাধান সরকার
কযেটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিযেে যেমন ভূমি প্রদান, কৃষকদের ৫ একর কৃষি জমির জন্য ভূমি প্রদান|
মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জন সম্প্রদায়কে আবেদনপত্র পূরণের নির্দেশ দেওযা হয়্ছে|
তিনি বলেন যে ব্লক অফিসে গিযে ফর্ম জমা দিতে পারেন| রাজস্ব বিভাগের ওযেসাইট বা ছবি অনুলিপি করে ফর্মটি পূরণ করে ফর্ম পূরণ করতে পারেন|
ফর্ম পূরণ করার পরে, এটি জেলা কর্তৃক অনুমোদিত রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হবে| তারপর রাজ্য সরকার কর্তৃক ইজারা করা হবে| তিনি বললেন যে কযে বছর ধরে এলাকার জনগণের দাবি তাদেরকে অনুমোদিত বসতিগুলির দর্জা দেওযা হবে| এটির মাধ্যমে মানুষ আবাসি প্রমান পত্র, জাতি প্রমান পত্র তৈরির ক্ষেত্রেও সুবিধা পাবে| সরাসরি সরকারের থেকে লজের অন্তর্গতে পড়বে এটি সবচেযে বড় অর্জন| মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, মানুষ মানুষকে বিভ্রান্ত করার এবং নিরপরাধ মানুষকে অস্থির স্বার্থপরতার জন্য বিভ্রান্ত করার জন্য কাজ করে না| তিনি বললেন যে সরকার মানুষকে সম্মান দিতে কাজ করছে| আবেদন ফর্ম পূরণ করার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসনের আধকারিক উপস্থিত থাকবে| এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী উন্নয়ন কমিটির সদস্যগণকে তাদের নিজ নিজ পাড়াতে আবেদনপত্র ভরার জন্য মানুষকে সহযোগিতা করবে এমনটাই বললেন| য়দি শীঘ্রতার সাথে নিকটতম বিরসা নগর এর ফর্ম পূরণ পরে কোন সমস্যা বা সেটি সংশোধনের প্রযোজন হয় তাহলে রাজ্য সরকারের স্তরেই সেটি সংশোধন হযে যাবে| তিনি বললেন জামশেদপুরের ১১টি স্থানে ক্যাম্প স্থাপন করা হবে যাতে জামশেদপুর বসতির সমস্যা য়ত তাড়াতাড়ি সম্ভব সম্পন্ন করা যায়|
ডেপুটি কমিশনার শ্রী অমিত কুমার বলেন, ঝাড়খন্ড সরকার অবশ্যই এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এবং এই সিদ্ধান্তের আলোকে দীর্ঘমেযাদী প্রত্যাশিত জনগণের প্রত্যাশা পূরণে এটি কাজ করবে| তিনি বললেন লিজ বন্দোবস্তের জন্য প্রথম ক্যাম্পে বিরসানগর এলাকায় আযোজন করা হয়্ছে এবং এই ক্যাম্পটি এক সপ্তাহের জন্য এই জায়গায় কাজ করবে| সমস্ত রাজস্ব বিভাগ এবং অফিসার কর্মচারীগণ মানুষকে সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত থাকবে| অফিসে, সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৫টা পর্যপন্ত, মানুষ তাদের আবেদনপত্র পূরণ করতে পারে, সেইসাথে আবেদনপত্র পূরণের সমযে সমস্যার সমাধান করা হবে যাতে লোকেরা তাদের সিদ্ধান্তের অধিকারী হতে পারে|
এই উপলক্ষে ভুমি সুধার এবং রাজস্ব বিভাগের উপদেষ্টা পদকর্তা শ্রী ধর্মেন্দ্র পান্ডে, পুর্ব সিংভুমের এস এস পি শ্রী অনুপ বিরথরে| সহ উন্নয়ন কমিশনার শ্রী বী. মাহেশ্বরি অন্যান্য পদকর্তারা, বস্তি উন্নয়ন সমিতির সভাপতি আর সদস্য ছাড়াও অনেক মানুষজন উপস্থিত ছিলেন|
Please follow and like us:
Loading...