২০২২ সালে ঝাড়খন্ড ভারতে বিকসিত রাজ্যের শ্রেণীতে প্রথম সারিতে থাকবে – রঘুবর

0 39

রাঁচি (সং) – ঝাড়খন্ড তাড়াতাড়ি একটি বিকসিত রাজ্যের শ্রেনিতে এসে দাড়াবে। মুখ্যমন্ত্রী শ্রী রঘুবর দাস আজ সরাযকেলা খরসাবাতে রামকৃষ্ণ ফোর্জিংস সাত তম ফেজের আধারশিলা রাখার সমযে বললেন এই সরকারের সবথেকে প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল বেরোজগার, দারিদ্রতা, অভাবের দিনগুলি মুছিযে ফেলা| তিনি এই অবসরের প্রতিমুর্তি স্থাপন করছেন| মোমেন্টম ঝাড়খন্ড, স্কিল ঝাড়খন্ডের মাধ্যমে সরকার রাজ্যের ইতিবাচক চিত্রটি তৈরির উদ্দেশ্যে কার্যকর করেছে|

রাজ্যের সোযা তিন কোটি মানুষকে প্রনাম যারা এই নতুন চিন্তা ভাবনাকে আপন করে ঝাড়খন্ডের পরিবর্তনকে স্বীকার করেছেন| তিনি শিল্প উন্নযনে জালান আর পুরো দলটির মহত্বপুর্ন ভুমিকার আলোচনা করে বললেন রেলওযে পার্টস, অটো পার্টস, খনি পার্টসের মোট অনেক বস্তুর নির্মানে এটি ভারতের মধ্যে দ্বিতীয বড় কোম্পানি হবে| এই প্লান্টে হাই স্পীড বগীরও নির্মান হবে| তিনি জানালেন জালান মহাশযে ওপরে সম্পুর্ন ভরসা আছে যে তিনি ঝাড়খন্ডএ ৱুকে থ্রি ডি সম্পন্ন প্রযুক্তি প্ল্যান্ট লাগাবেন|  মুখ্যমন্ত্রী জানালেন ফোর্জিং এবং ফাউন্ড্রিং এর বেশ সম্ভাবনা পরিলক্ষিত হয| ঝাড়খন্ড শিল্পের উন্নযনের নতুন পরিবেশ তৈরি হযেছে|

বেরোজগারের চর্চার সমযে বললেন মুখ্যমন্ত্রী এক লক্ষ বেরোজগারদের রোজগার দেওযা হবে| তিনি সকল কোম্পানিকে নির্দেশ দেন এখানে কোন বাইরের থেকে নিযুক্তি হবে না|
কারন রাজ্য থেকে মানুষের পলাযন আর বেরোজগার একটি কলঙ্কের বিষয়| মোমেন্টম ঝাড়খন্ড থেকে পলাযন বন্ধের আরম্ভ হযেছে|

৮২ কোকুন ঝাড়খন্ডএর মাটীতেই আছে

দেশ বিদেশে এখানের সুতোর চাহিদা চাহে| তাই এই সরকার টেক্সটাইল পলিসিকে আপন করেছে| এই সরকারের টেক্সটাইল পলিসি দেশের মধ্যে সর্বত্তম পলিসি|
মুখ্যমন্ত্রী বললেন সরাযকেলা খরসাবার মাটিতে পুনরায মার্চ মাসে একটি আরও ভুমি পুজার কার্যীক্রম অনুষ্ঠিত হবে| এখানে গুজরাটের কোম্পানি প্ল্যান্ট লাগাবে|

মুখ্যমন্ত্রী বললেন সরকারের নীতি এবং পলিসি ভালো হলে বিনযোগকারি নিশ্চযই আসবে| সরকার একটি বিনিযোগের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে| বিনিযোগ হচ্ছে|
তসর, মিঠি ক্রান্তি, গালা, হ্যান্ডিক্রাফটে উউনযনের লক্ষ্য সরকারের আছে| কোকুনের, মিঠি ক্রান্তি অন্তর্গতে উত্পাদিত মধু বোর্ড কিনবে| মধু পতঞ্জলিতে বিক্রি করা হবে|
তিনি বললেন সরকার বেরোজগারকে রোজগার আর গৃহহীনকে ঘরের ব্যাবস্থা করেছে| ২০২২ বর্ষ অবধি ঝাড়খণ্ড উন্নযনশীল রাজে পরিনত হবে|

ঝাড়খন্ড সম্বন্ধে অনেক কিছু বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী

শ্রী দাস দেশের ৪০ সম্পদ এই রাজ্যে আছে| উন্নযনের ক্ষেত্রে সরকার কাজ করছে| তিনি এও বললেন রাজ্যের যে গ্রামে ৫০ আদিবাসী আছে সেখানে আদিবাসী উন্নযন সমিতি এবং যেখানে ৫০ এর কম বসবাস সেখানে গ্রাম সমিতি তৈরি হবে|
গ্রামের উন্নতির জন্য রাশি সরাসরি সমিতিকেই দেওযা হবে| সমিতি ডোভা, কুযো, চ্যাকডেম এসব তৈরি হবে| তিনি আরও জানালেন ২০২৮ বর্ষ অবধি সব ঘরেই বিদু্যত্ থাকবে| এটি সরকারের সংকল্প|

মুখ্যমন্ত্রী জানালেন উজ্জবলা প্রকল্পের অন্তর্গতে গ্যাস সংযোগ সুদূর ঘ্রামে গঞ্জের পরিবারকে দেওযা হবে| যাতে এখানের মাযো কাঠের ব্যাবহার জালানর কাজে না লাগায়। এই অবসরে মুখ্যমন্ত্রী সিসিটিভি নিরক্ষন প্রণালীর উদ্বোধন করেন|

মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান সচিব শ্রী সুনীল কুমার বর্নবাল এই অবসরে বললেন অনেক বর্ষ পরে ঝাড়খন্ড রাজ্যে একটি বড় প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা হতে চলেছে| যা চমত্কারী হবে|
ঝাড়খণ্ডের জন্য এটি একটি বড় উপলব্ধি মনে করেন তিনি| এরজন্য রামকৃষ্ণ ফর্জিংগ কোমান্নিকে তিনি অভিনন্দন জানালেন| ২৪ একর জমিতে ভুমি পুজন এটিও একটি বড় উপলব্ধি তাঁর ভাষায|
মাননীয মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি বড় সিদ্ধান্ত যার মাধ্যমে রাজ্যে শিল্পের জন্য জমি উপলব্ধতা সহজ হযেছে এমনটাই নয বরং আবন্টনের প্রক্রিযাও সহজ হযেছে| যা একুশ দিনের মধ্যে উপলব্ধ করা হচ্ছে| ২০০ টি শিল্পের শিলান্যাস সম্পন্ন হযেছে|

তিনি জানালেন শিল্প খনি এবং ভুতত্ব বিভাগের দিক থেকে তিনি আশ্বস্ত্ করতে চান যেই এখানে বিনিযোগকারী এসেছে তারা নিজের শিল্পের বিস্তার তথা নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব তৈরি করতে হবে| রাজ্য সরকার তাদের সাথেই আছে| সহজ পদ্ধতিতে তাদের ক্লিযারেন্স দেওযা হবে| যাতে এটির অনুভুতি সুখের হয| সকল বিনযগকারিকে সকল প্রকারের সুবিধাই দেওযা হবে| তাদের প্রযোজন হিসাবে|
মুখ্যমন্ত্রী আর কে এফ এলের চেযারম্যান শ্রী মহাবীর প্রসাদের বক্তব্য ঝাড়খণ্ডের মাটিতে থ্রি ডি সম্পন্ন প্রযুক্তি প্ল্যান্ট লাগাতে হবে|

শ্রী জালান মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান ঝাড়খণ্ডে রেলওযে আর রক্ষা বিভাগের ক্রয কেন্দ্র খোলা যার মাধ্যমে এখানের শিল্পপতিদের ক্রযে লাভ থাকবে | তাঁর আগ্রহ পুর্ব ভারতের এক্তিও ট্রাক্টর মানুফাকচারিং প্ল্যান্ট নেই এই বিষযে সরকার যাতে নজর রাখে|

You might also like More from author

Comments

Loading...