১০৮ এম্বুলেন্স ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবীমা যোজনা স্বাস্থের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনবে- মুখ্যমন্ত্রী

এম্বুলেন্স

রাঁচি (সং) –  গরীবের সেবাতে পুন্য লাভ হয| এই সরকার একটি লক্ষ্যের সাথেই এগোচ্ছে,
যেখানে সমাজের অন্তিম স্তরে থাকা মানুষেরও সুবিধাযুক্ত চিকিত্সা ব্যাবস্থা উপলব্ধ হবে|
সরকারের কাছে সকল্মানুস শে যতই গরীব হোক না কেন প্রত্যেকের জীবনই যথেষ্ট মুল্যবান
এমনটাই মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী রঘুবর দাস|

যেটিকে সরকার মানবিকতা মনে করেই কাজ করবে| তাই শ্রী রঘুবর দাস বললেন পযসা
অথবা চিকিত্সা ব্যাবস্থার অভাবে কোন মানুষেরই মৃতু্য মেনে না সরকার কারন এটি সরকারের
প্রাথমিকতাতে আছে| রাজ্যের উপজাতি ও তফশিলি জাতি অধু্যষিত অঞ্চলে চিকিত্সা ব্যাবস্থার
সবথেকে বেশী প্রযজন|

এটিকেই প্রাথমিকতাতে রাখতে হবে| তাঁর মতে মানুষের কাছে চিকিত্সা ব্যাবস্থা পৌঁছানোর জন্য
মিশন মোডে কাজ করার প্রযোজন আছে| লখহ্য রেখে সমযসীমাতে কাজ করলেই সেখানে সাফল্য থাকবে|

তিনি আজ ঝাড়খণ্ড মন্ত্রকে রাজ্যতে আরম্ভ হওযা দুটি চিকিত্সা ব্যাবস্থা সম্বন্ধে সমীক্ষা করছিলেন|

মুখ্যমন্ত্রী শ্রী রঘুবর দাস বললেন এই সরকার সকল্প্রকারের কঠিন কাজ করতে প্রস্তুত আছে|
সহজ কাজ তো সকলেই করতে পারে| আর এই সরকার উত্কৃষ্ট মানের চিকিত্সা ব্যাবস্থা দিচ্ছে|

তিনি জানালেন ১০৮ টি এম্বুলেন্স সেবা এবং মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনা রাজ্যতে চিকিত্সার ক্ষেত্রে
ক্রান্তির সৃষ্টি করবে| এর ফলে রাজ্যতে মাতৃত্ব“ শিশুদের মৃতু্যর পরিমান অনেক কম হযে যাবে|

চিকিত্সা কেন্দ্রগুলিতে ডাক্তার ও সহাযক কর্মীদের উপলব্ধতা নিসচিত করতে হবে যাতে রোগীরা
এসে চিকিত্সা করাতে পারে| রাত্রে যারা কাজ করবে তাদের সেইসব কর্মচারীদের নাইট এলাউন্সের
ব্যাবস্থা থাকবে| তাঁর মতে প্রফেশনাল হিসাবে কাজ করলে কার‌্য প্রনালীতে সুব্যাবস্থা নিশ্চযই থাকবে|

তিনি জনানালেন এম্বুলেন্স সেবার আপাতকালীন মেডিকেল সেবার নাম ১০৮ রাখতে হবে|
যাতে প্রত্যেক ব্যাক্তি এর গুরুত্ব বোঝে| তাঁর মতে রাজ্যের উপজাতি ও তফশিলি জাতি অধু্যষিত
অঞ্চলে এই কাজটি সর্বপ্রথমে আরম্ভ করতে হবে| এইসব অঞ্চচলেই চিকিত্সা ব্যাবস্থার অভাব
আছে মনে করেন তিনি|

এম্বুলেন্স গুলিতে প্রসবের ব্যবস্থাও করতে হবে

এমুলেন্সগুলিতে এমন ব্যাবস্থা থাকবে যাতে প্রযোজনে গর্ভবতী মহিলাদের প্রসবেরাব্যাবস্থা
সেখানেই করা যায| সংস্থমুলক প্রসব হিসাবেই যুক্ত করতে হবে| এই যোজনার অনেক বেশী
করে প্রসার প্রচারের প্রযোজন আছে|

প্রত্যেকের কাছে এই সূচনাটি পৌঁছানো যে কোন ঘটনাতেই ১০৮ নম্বরে সূচনা দিলেই জীবন রক্ষা
হতে পারে| তাদের আশ্বস্ত করা এই বলেই যে ১০৮ নম্বরে কল করলে পুলিশের কোন ঝামেলা থাকবে না|

সূচনা দেওযার ব্যাপারে মানুষের মধ্যে ঝামেলার আশংকা থাকে| মানব ধর্ম হিসাবেই মানুষের জীবন
রক্ষার কাজে লাগতে হবে| মার্চ মাসের মধ্যে ৩২৯ টি এম্বুলেন্স কার‌্যকর হযে যাবে| এখন
ম্যানপাওযারের সংখ্যা ২০০০ আছে প্রযোজনে এই পরিমান বৃদ্ধি করা হবে|

মুখ্যমন্ত্রীর মতে যোজনাগুলি সবসমযে ভালোই তৈরি হযে থাকে| কিন্রতু সঠিক সমযে সঠিক ভাবে
গরীবের কাছে এগুলি না পৌঁছানোর কারনেই তারা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয বরাবর| সেদিকে
খেযাল রাখার বিশেষ প্রযোজন আছে|

প্রথম চরনে ডিসেম্বর অবধি সিমডেগা, গুমলা, লোহারদাগা, পাকুড়, খুঁটি, সাহেবগঞ্জ, পালামু,
গড়বা এসব জেলাগুলিতে সেবা চালু করা হবে|
সুদুরাঞ্চলে যেখানে মানুষের বসতি আছে সেইসব অঞ্চলে এম্বুলেন্সের সংখ্যা বৃদ্ধি করারা প্রযোজন আছে|
জিপিএস এর মাধ্যমে সকলেরই রিযাল টাইম মনিটারিং হওযার প্রযোজন আছে| ঘটনাস্থলে এম্বুলেন্সের
সঠিক সমযে পৌঁছানোর বিষযটিও নির্দিস্ট করতে হবে|

নিযম করে এইসব সেবার নিরীক্ষণের দরকার| ১০৮ নম্বরে দুর্ঘটনা, অপরাধ, এবং আগুন
লাগার সূচনা দেওযা যাবে| যাতে এই তিন বিভাগের কাছে যে ২০০ থেকে তিনশো টি সাধারন
এম্বুলেন্স আছে সেগুলিকে আপগ্রেড করে নিযে ব্যাবহারের উপযোগী রাখা|

তিনি মমতা বাহন ব্যাবস্থাকেও সুচারুভাবে পরিচালনার নির্দেশ দিযে বললেন যে রাজ্যতে মৃত্যুর
হার কমানোর লক্ষ্যটিই সরকারের আছে| এর পযসা কোন বাধা হবে না বলেন তিনি|

যোজনার লাভটি গরীব মানুষকে দিতে হবে| মমতা বাহনের জন্য কেন্দ্রীয সরকার দ্বারা যে
রাশি দেওযা হচ্ছে সেই রাশিতে কম হলে রাজ্য সরকার সেই রাশির ভার নেবে|

মুখ্যমন্ত্রী বীমা যোজনার জন্য কার্ড জারি করা হক

শ্রী রঘুবর দাস মুখ্যমন্ত্রী বীমা যোজনাতে সকল লাভকারীদের জন্য ক্যাম্পের ব্যাবস্থারেখে কার্ড
জারীর নির্দেশ দেন| ২৮ শে ডিসেম্বর অবধি সকল লাভকারীরা যাতে কার্ড পেযে যায সেটি নির্দিস্ট
করার জন্য বললেন তিনি|

তিনি এও বললেন নবনিযুক্ত ব্লক এবং ডিস্ট্রিক্ট কো অর্ডিনেটরকে কার্ড তৈরির কাজে নিযোগ করা হবে|
জজনাতে কার‌্যকারিতাতে কোনোপ্রকারের কিপটেমি সহ্য কোর্মা হবে না|

স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব শ্রী সুধীর ত্রিপাঠি জানালেন ১০৮ নিঃশুল্ক এম্বুলেন্স সেবা |
এটি একটি টোল ফ্রি নম্বর| ৩২৯ টি এম্বুলেন্সের মধ্যে ২৮৯ টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট শ্রেনীতে পড়ে
আর চল্লিশটি এম্বুলেন্স এডভান্স লাইফ সাপোর্টের আওতায আসে| এই এম্বুলেন্সে কুড়ি থেকে তিরিশটি
চিকিত্সা সম্বন্ধিত উপকরন লাগানো আছে|

এই এম্বুলেন্সে থাকাকালীন চিকিত্সা চলার সাথে সাথেই হাসপাতালে পৌঁছানো হবে| এখান থেকে
২০০০ মানুষের রোজগারের পথটি খুলবে|
বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রী শ্রী রামচন্দ্র চন্দ্রবংশী, মুখ্য সচিব শ্রীমতী রাজবালা বর্মা, অতিরিক মুখ্য সচিব
শ্রী অমিত খরে, মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান সচিব শ্রী সঞ্জয কুমার সহ স্বাস্থ্য বিভাগের বরিষ্ঠ আধিকারিরা উপস্থিত ছিল|

Originally posted 2017-11-17 19:19:02.

Please follow and like us:
Loading...