My title page contents Press "Enter" to skip to content

সি সি এল এর সিএমডির চেষ্টায় জিরো গ্রীভান্স কোম্পানি হতে চলেছে সিসিএল




আর এন আর পলিসির অন্তর্গত ২৭ জনকে দেওয়া হল নিযুক্তি পত্র

রাঁচিঃ সি সি এল এর সিএমডির চেষ্টায় এটি

জিরো গ্রীভান্স কোম্পানি হওয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে।

এর অন্তর্গত শনিবার কায়াকল্প সমাধান সভার আয়োজন করা হয়েছিল।

এই সভার অধ্যক্ষতা স্বয়ং সি সি এল এর সিএমডি শ্রী গোপাল সিং করেন।

বৈঠকে সি সি এল এর কমান্ড এরিয়া এবং হেড অফিস থেকে আসা সব স্টেক হোল্ডারদের

১৮ টি বিভিন্ন রকম সমস্যা এবং অভিযোগ শোনা হয়।

সেখানে সিএমডি ছাড়াও সব বিভাগের নির্দেশক, মহাপ্রবন্ধক, বিভাগাধ্যক্ষ এবং সব এলাকার জি এম

ও হেড অফিসের আধিকারিকরা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সবার কথা শোনেন।

শ্রী সিং সব কটি অভিযোগ নিশ্চিত সময়ের মধ্যে শুনে সেগুলির সমাধান করার কড়া নির্দেশ দেন

এবং এই অভিযোগের সমাধান কত দিনে হবে, তার লেখাজোখা

হেড অফিসের রেজিস্টারে নোট করে নেওয়া হয়।

সি সি এল এর সিএমডির নির্দেশ, সময়ের মধ্যে অভিযোগের সমাধান করতে হবে

বৈঠকে সিসিএল কর্মী এবং প্রকল্পগুলিতে প্রভাবিত পরিবারের সদস্য, ঠিকেদার, নিহত কর্মীদের আশ্রিত,

কল্যাণ বোর্ডের সদস্য, জে সি এস সির সদস্য এবং অন্য শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সেখানেই সি সি এন এল এর আর এন আর পলিসি অন্তর্গত ২৭ জন যুবক এবং যুবতীকে

জমির বদলে চাকরি দেওয়া হয়।

সি এম ডি শ্রী সিং ছাড়াও কার্মিক নির্দেশক আর এস মহাপাত্র এবং আইটি নির্দেশক বি কে শ্রীবাস্তব

নিজের হাতে এই ২৭ জন নবনিযুক্ত কর্মীকে নিযুক্ত পত্র দেন।

উল্লেখযোগ্য যে বিগত ১লা জুনে ১০১ জন নিহত কর্মীর আশ্রিতদের নিযুক্তি পত্র দেওয়া হয়েছিল।

বৈঠকে উপস্থিত সকলের মাঝে সি এম ডি শ্রী সিং বলেন যে, সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

কিন্তু একটি বিশেষ সময়ের মধ্যে সেগুলির সমাধান করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।

সিং বলেন যে আমাদের সব স্টেকহোল্ডারদের সমস্যাগুলিকে নিয়ম অনুসারে সমাধান করতে হবে

এবং যদি সেই সমস্যাগুলোর সমাধান করার ক্ষেত্রে নিয়ম বাধা হয়ে দাঁড়ায়,

তাহলে আমাদের কর্তব্য হলো তাদের সঠিক পরামর্শ দেওয়া এবং সব কিছু ঠিক ঠিক জানানো।

তিনি আধিকারিকদের বলেন যে কোনভাবেই কোনরকম সমস্যা কে টিকিয়ে রাখা যাবে না।

যাঁরা সমস্যা নিয়ে আসেন, তাঁদেরকে কোন রকম মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে অসুবিধার মধ্যে ফেলা যাবে না।

যদি কেউ এরকম করে থাকেন তাহলে সেটিকে অনৈতিক এবং কাজের গাফিলতি বলে ধরা হবে।

স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সুরক্ষা, সংস্কার এবং সংশোধন এই পাঁচটি স্তম্ভ খুব গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নের ভিত এই পাঁচটি বিষয়ের উপরে দাঁড়িয়ে থাকে।

শ্রমিকদের উন্নয়ন লক্ষ্য

তাই এইগুলির ওপর জোর দিয়ে শ্রী সিং আরো একবার বলেন যে সি সি এল গ্রামের গরীবদের

এবং শ্রমিকদের সর্বাঙ্গীন উন্নয়নের জন্য কটিবদ্ধ।

এই লক্ষ্যে সব সময় কাজ করা হচ্ছে।

জ্ঞাতব্য যে, বিগত ৭ বছরে এই কোম্পানিতে সি সি এল এর বৃহৎ পরিবারের

সদস্যদের সমস্যার নিবারণ করার জন্য এবং পুরো প্রক্রিয়া তে পারদর্শিতা আনার জন্য

হেড অফিসের সাথে সাথে সব কটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে সমাধান কেন্দ্র চালানো হচ্ছে।

তাদের মাধ্যমে যে কায়াকল্প মডেল আনা হয়েছে তার অন্তর্গত

বিভিন্ন কল্যাণকারী কায়াকল্প প্রকল্পকে ক্রিয়ান্বয়ন করা হয়েছে।

এই মডেল পারদর্শিতা, নৈতিকতা এবং জনসাধারণের উপর আধারিত এবং এর উদ্দেশ্য হল সার্বিক উন্নয়ন।

শ্রী সিংহ জানান যে প্রত্যেক মাসের প্রথম রবিবার সকাল সাড়ে ১১ টায়

সি সি এল এর হেড অফিস দারভাঙ্গা হাউসে সব অভিযোগের সমাধান করার জন্য বৈঠক করা হবে।



Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.