সরকারের কাছে রোহিঙ্গাদের অবস্থা জানতে চেযেছে সুপ্রিম কোর্ট

রোহিঙ্গাদের
নযা দিল্লি (এজেন্সী) – ভারতের কেন্দ্র ও বেশ কযেটি প্রাদেশিক সরকারের কাছে ভারতে পালিযে আসা রোহিঙ্গা শরনার্থীদের বর্তমান অবস্থা নিযে বিস্তারিত রিপোর্ট চেযেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট| ভারতের সর্বোচ্চ আদালতটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অবস্থার ব্যাপারে কেন্দ্র সরকারকে একটি রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে|
প্রধান বিচারপতি দিপক মিশরা, বিচারপতি ডিওযাই চন্দ্রচুদ এবং বিচারপতি এএম খান উইলকারের সমন্বযে গঠিত একটি বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন| রিটকারি জাফরউল্লাহর পক্ষে জেষ্ঠ্য আইনজীবি কলিন গনজালভেসের রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেযা হয়| আবেদনে গনজালভেস রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অবস্থা অকথ্য বলে উল্লেখ করেন|
মাযানমারের সেনাবাহিনীর নির্যা তনে যে সকল রোহিঙ্গা ভারতে পালিযে গেছেন তারা বেশীরভাগই হরিযানা, রাজস্থান, হরিযানা, জম্মু“কাশ্মীর এবং কেন্দ্র শাষিত দিল্লীতে অবস্থান করছে|
এর আগে আদালতের দেযা আরেকটি নোটিশের জবাবে কেন্দ্রীয় সরকার জানিযেছে ভারতের একাধিক দেশের সাথে সীমান্ত বেশ সমস্যাসংকুল|
এমনিতেই পুরাতন শরনার্থীদের ব্যয়ভার বহন সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হযে দাঁড়িযেছে| সেখানে নতুন শরনার্থী গ্রহন ভারতের পক্ষে আর সম্ভব না|
তবে রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্যসেবা দেযা প্রসঙ্গে সরকার জানিযেছে ক্যাম্পগুলোতে প্রযোজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দেযা হচ্ছে|
কেন্দ্র আদালতকে আরো জানিযেছে রোহিঙ্গারা কোনভাবেই তামিল শরনার্থীদের তূল্য নয়| কারণ ইন্দো“লঙ্কান চুক্তির মতো রোহিঙ্গা বিষয়ক কোন চুক্তিতে ভারত আবদ্ধ নয়|

তামিল শরণার্থীদের মতন সুবিধে পাবে না রোহিঙ্গারা – ভারত সরকার

নযা দিল্লি (এজেন্সী) –  শ্রীলংকার তামিল শরণার্থীদের সমমর‌্যাদা রোহিঙ্গারা কখনোই পেতে পারেনা বলে সুপ্রিম কোর্টকে জানিযেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার| রোহিঙ্গা শরণার্থীদেরকেও তামিলদের মতো একই রকম সুযোগ“সুবিধা ও মর‌্যাদা দেযার দাবি জানিযে মোহাম্মদ সামিউল্লাহ নামের এক ব্যক্তি একটি রিট করলে এর জবাবে এ বিষযে সরকার তার অবস্থান পরিষ্কার করে|
সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানায়, যেসব যুক্তি দেখিযে তামিল শরণার্থীদের সাথে রোহিঙ্গাদের তুলনা করা হচ্ছে তা একেবারেই অমূলক ও ভিত্তিহীন| ১৯৬৪ সালে স্বাক্ষরিত ইন্দো“সিলন চুক্তির অংশ হিসেবে তামিলদের বিশেষ মর‌্যাদা দেযা হয়েছে| চুক্তির শর্তানুযাযী, সিলন (বর্তমান শ্রীলংকা) বা ভারতে বসবাসরত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী য়দি উক্ত দেশদুটির কোনো একটির নাগরিক না হযে থাকে তবে দুটি দেশের যেকোনোটির নাগরিক হতে পারবে|
এছাড়াও ১৯৭৪ সালে শ্রীলংকার সাথে স্বাক্ষর হওযা আরেকটি চুক্তির শর্তানুযাযী তামিল শরণার্থীদের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে বলেও সুপ্রিম কোর্টকে জানানো হয়| উল্লেখ্য, ১৯৬৪ ও ১৯৭৪ সালের চুক্তির আলোকে ভারত প্রায় ৬ লক্ষ তামিল শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদান করে|
তামিলদের বিষযে ভারত“শ্রীলংকা ঐতিহাসিক সম্পর্ক, তামিল জাতীয়তাসহ কূটনৈতিক চুক্তির বিষয়গুলো উল্লেখ করে ভারত সরকার তামিল ও রোহিঙ্গা ইসু্য়কে মিলিযে না ফেলে এবং তামিলদের মর‌্যাদা রোহিঙ্গাদের দেযা সম্ভব নয় বলে সুপ্রিম কোর্টকে জানায়|
Please follow and like us:
Loading...