সব হোক মাতৃভাষাতেই! আরএসএস এর বৈঠকে সিদ্ধান্তের জেরে জল্পনা

0 44
নয়া দিল্লি (এজেন্সী) – প্রাথমিক শিক্ষা মাতৃভাষা কিংবা অন্য কোনও ভারতীয় ভাষাতেই হওযা উচিত| এমনটাই জানিযেছে আরএসএস এর শীর্ষ নেতৃত্ব|
ভারতীয় ভাষার ব্যবহারে জোর দেওযা হয়েছে আরএসএস এর শীর্ষ বৈঠকে|
নাগপুরে অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বার্ষিক বৈঠকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষাদান, বই, পরীক্ষা সেটা প্রযুক্তি কিংবা চিকিত্সা বিদ্যা“সব কিছুই ভারতীয় ভাষায় করার ওপর প্রস্তাব পাশ করা হয়েছে|
প্রস্তাবে বলা হয়েছে ভাষার বন্ধনে আবদ্ধ ভারত| ফলে মাতৃভাষার প্রতি গর্বের অনুভব সব ভাষাতেই রযেছে|
প্রস্তাবে বলা হয়েছে বিদেশি ভাষার বহুল ব্যবহারে দেশজ সংস্কৃতির বাহক ভারতীয় ভাষাগুলির অনেক উপভাষা ও বাকধারা হারিযে গিযেছে|
তাই এগুলির সংরক্ষণ ও প্রসারে সরকারের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করা হয়েছে| এছাড়াও সামাজিক, পারিবারিক ও দৈনন্দিন কাজে মাতৃভাষাতেই গুরুত্ব দেওযার কথাও বলা হয়েছে|
নাগপুরে অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠকে ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি এন্ট্রান্স টেস্ট“এ ভারতীয় ভাষাগুলির ব্যবহারকে সমর্থন জানানো হয়েছে|
আশা প্রকাশ করা হয়েছে, অন্য প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষাতেও এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে|
বৈঠকে বিভিন্ন সরকারি কাজে, যেমন আদালত ও প্রশাসনিক কাজে ইংরেজির বদলে ভারতীয় ভাষা ব্যবহারে অগ্রাধিকার দিতে সওযাল করা হয়েছে|
এমন কী বেসরকারি সংস্থার কাজ, নিযোগ এবং পদোন্নতিতে ইংরেজির থেকে স্থানীয় ভারতীয় ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওযার দাবি করা হয়েছে|
নাগপুর বৈঠরে আরও অনের বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে শিক্ষার ব্যাপারে এই ধরনের কথা সামনে আসতেই নতূন আলোচনায় জোয়ার এসেছে।
তবে ভারতীয় ভাষায় পরীক্ষার কথা নতূন কথা নয়। আগে যূপীএসসী পরীক্ষায় কেবল মাত্র ইংলিশ চলতো। পরের কালে, এটাতে ভারতীয় ভাষা যূক্ত করা হয়।
তার ফলে ভারতীয় ভাষায় পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ অনেক লোক খুব ভালো ভাবে কাজ করে নাম করেছেন।
ভারতীয় ভাষার পরীক্ষা দেবার পরে এই ধরনের অফিসাররা দূরস্থ গ্রামের লোকেদের সাথে সোজা সংবাদ স্থাপিত করে নতূন নতূন প্রয়োগ করেছেন।
যার ভেতরে ওনেক প্রয়োগ সফল হবার দরুন, সেগুলোকে পাইলট প্রোজেক্ট হিসাবে সর্বভারতীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

You might also like More from author

Comments

Loading...