My title page contents Press "Enter" to skip to content

মৃতদেহ খুঁজে পেতে পুলিশের সময় লাগলো ৩৪ দিন




জলপাইগুড়িঃ মৃতদেহ খুঁজে পেতে পুলিশের সময় লাগলো ৩৪ দিন।




নিখোঁজ স্থল থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে উদ্ধার হল মৃতদেহ ।

এত দেরীতে মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ তুললো পরিবার।




৩৪ দিন আগে মেখলিগঞ্জ থেকে নিখোঁজ হওয়া

তনুশ্রী বিশ্বাসের দেহ পাওয়া গেল জলপাইগুড়ি মর্গে।

ছবি দেখে মেয়ের মৃতদেহ সনাক্তের পর জলপাইগুড়ি মর্গ থেকে দেহ নিয়ে

মেখলিগঞ্জ রওনা দিলো পরিবার।

পরিবারিক গন্ডোগেলের জেরে খুনের অভিযোগ পরিবারের।

জানা গেছে যে গত ৫ জুন রাতে জলপাইগুড়ি সরকার পাড়া এলাকায়

রেল লাইনের ধার থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয় তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার করে রেল পুলিশ।

কোনো দাবীদার না থাকায় দেহটি জলপাইগুড়ি মর্গে রাখা ছিলো।

এদিকে নিখোঁজ তনুশ্রীকে উদ্ধারের দাবীতে ধর্নায় বসেছিলো তার পরিবারের সদস্যরা।

গতকাল মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ তনুশ্রীর মৃতদেহের ছবি পরিবারকে দেখিয়ে খবর দেয় যে

দেহ  জলপাইগুড়ি মর্গে রাখা আছে।

আজ তদন্তকারী অফিসার সমেত তনুশ্রীর পরিবার আসে জলপাইগুড়ি মর্গে।

এরপর চলে যায় হলদিবাড়ি জি আর পি অফিসে।

সেখানে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়ে ফের জলপাইগুড়িতে এসে সন্ধ্যার মুখে

মর্গ থেকে দেহ নিয়ে মেখলিগঞ্জ রওনা দেয় তারা।

মেখলিগঞ্জের ৭২ নং নিজ তরফ এলাকার বাসিন্দা বছর ১৮ র তরুনী তনুশ্রী বিশ্বাস

গত ৫ জুন মেখলিগঞ্জের ৬ নং ওয়ার্ডে তার মামাবাড়ি যাবে বলে

বেলা ১ টা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হয়।

সন্ধ্যায় মেয়ে বাড়ি না ফেরায় মামাবাড়িতে ফোন করলে তারা বলে তনুশ্রী তাদের বাড়ি আসেনি।

দাদা কৃষ্ণপদ বিশ্বাস জানান, প্রথমে থানায় নিখোঁজ এর অভিযোগ জানানো হয়।

কয়েক দিন পর আমরা জানতে পারি যে আমাদের কিছু পরিচিত লোকের সাথে

গত ৫ তারিখে গাড়িতে চেপে তনুশ্রীকে যেতে দেখা গেছে।

এরপর আমরা মেখলিগঞ্জ থানায়  ৬ জনের নামে  অভিযোগ দায়ের করি।

২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরো বলেন এতো কাছে দেহ ছিলো, সেটা জানতে পুলিশের ৩৪ দিন লেগে গেলো।

এটা পুলিশের গাফিলতি।

তদন্তকারী পুলিশ অফিসার নকুল রায় ক্যামেরার সামনে কিছু না বললেও

পরে সাংবাদিকদের জানান যে ঘটনার তদন্তে নেমে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তদন্তের স্বার্থে এর বেশি কিছু বলতে তিনি রাজী হন নি।



Spread the love
More from কাজMore posts in কাজ »
More from পশ্চিমবঙ্গMore posts in পশ্চিমবঙ্গ »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.