মাংসপেশী আবার মজবূত করার নতূন ওষূধ আসবে শীঘ্র

মাংসপেশী আবার মজবূত করার নতূন ওষূধ আসবে শীঘ্র
Spread the love
  • টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশিত গবেষণায় পাওয়া গেছে সফলতা

  • ইঁদূরের ওপর ওষুধের সব প্রয়োগ হয়েছে সফল

  • এর ব্যাবহারে কোন সাইড এফেক্ট পাওয়া যায় নি

  • আমেরিকা মধ্যে এই ওষূধ নিয়ে প্রচুর আশা

প্রতিনিধি

নয়াদিল্লীঃ মাংসপেশী বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুর্বল হয়ে পড়ে।

ওনেক সময়ে দীর্ঘ দিনের অসুস্থতা বা নিয়মিত স্বাভাবিক ব্যায়াম না হওয়ার কারণে তারা বেশি সক্রিয় থাকে না।

এই  পেশীগুলোকে নতুন করে চাংগা করে তুলতে পারবেন বৈজ্ঞানিকরা।

অনুসন্ধান সফল হবার পর এই ওষূধ খুব তাড়াতাড়ি বাজারে আসতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় এর কাজ চলছে। গ্ল্যাভেটন অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল বিভাগে বিজ্ঞানীরা এই গবেষণা করছেন।

প্রাথমিক সাফল্যের পরে, আশা করা যায় যে পুরোনো এবং দুর্বল পড়ে যাওয়া পেশীগুলিকে নতুন করে সতেজ করা তোলা যাবে।

বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণা প্রসঙ্গে মানব দেহের অবস্থা উল্লেখ করা হয়।

আমরা সবাই জানি যে বয়সের পাশাপাশি এই পেশী দুর্বলতা আসে।

40 বছর বয়সের পরে এগুলি দিন দিন দুর্বল হয়ে যায়।

অনেক সময় এই অবস্থা দীর্ঘ অসুস্থতার কারণ হয়।

এটি একটি সাধারন প্রক্রিয়া যেখানে বেশি বয়সেও সক্রিয় কর্মীদের উপর তার প্রভাব কম থাকে

কারণ পেশীগুলির সক্রিয়তা বজায় থাকে। নিয়মিত অনুশীলন করা বা চলতে যাওয়া ব্যক্তিদের মাংসপেশির ওপর বয়সের এই প্রভাব তুলনামূলক কম হয়।

গবেষণা থেকে যুক্ত বিজ্ঞানীরা প্রকৃতপক্ষে যে প্রোটিন সনাক্ত করেছেন যেটি মাংসপেশীর ভিতরের কোষ গুলিকে আবার থেকে সক্রিয় করে তূলতে পেরেছে।

এই প্রোটিন সক্রিয় রাখার জন্য বিজ্ঞানীদের একটি সুক্ষ্ম ঔষধ প্রস্তুত করা সফল হয়েছে।

এই ঔষধটি আসলেই খুব ক্ষু্দ্র মাত্রায় ব্যাবহার করা হয়েছে।

প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে যে এই ঔষধ ব্যবহার থেকে প্রোটিন এর সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তার প্রভাবগুলির মধ্যে মাশল্সের ওপর ভাল প্রভাব ফেলেছে।

এখন এটির সাহায্যে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে যাওয়া মাসল্স নতুন করে তৈরি করা সম্ভব হবে।

ব্যবহারিকভাবে এক ইঁদুরের ওপর এটার ব্যাবহার করা হয়েছিলো।

এই ইদূরের মাংসপেশি কোন কারণে নষ্ট হয়ে গিয়েছিলো।

মাংসপেশীর রিপেয়ার ছাড়া নতূন তৈরী করতে পেরেছে নতূন ওষূধ

ঔষধ ব্যবহার এর সাত দিন পরে তার ক্ষতিগ্রস্ত মাসল্স নিজেই থেকেই ঠিক হওয়া শুরু করে।

এছাড়া একদল ইদুরকে এই ওষূধ দেবার পরে তাদের মাসল্স প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়।

পরীক্ষায় পাওয়া গেছে যে এই ধরনের ওষুধের ব্যাবহারে মাংসপেশীর কার্যক্ষমতা প্রায় 70 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে এর এখন অব্দি কোন সাইড এফেক্ট পাওয়া যায় নি।

আমেরিকাতে এই ঔষধ নিয়ে যথেষ্ট আগ্রহ আছে।

এ কারণেই কারণ পরবর্তী দশকে দশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বয়স্কদের জনসংখ্যার প্রায় 40 শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

এর ফলে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত খরচ প্রায় দ্বিগুণ হবে।

এই খরচ এবং বয়স্ক চিকিত্সার সমস্যা থেকে বাঁচাতে এই ঔষধ জাতীয় সাহায্য হিসাবে দেখা দিতে পারে।

এর ফলে বয়স্করা মানুষের কর্মক্ষমতা বজায় থাকবে এবং জাতীয় উৎপাদনশীলতা কোন বিশেষ প্রতিকূল প্রভাব ফেলবে।

এই গবেষণায় সংযুক্ত ভারতভ্যাসি বিজ্ঞানী হার্শিনি নীলকান্তন বলেন যে বর্তমানে পেশীগুলির মেরামত করা কোন ঔষধ নেই।

যদি এই ঔষধ কার্যকর প্রমাণিত হয়, তাহলে বয়স্করা মানুষের জন্য এটি একটি বরদান প্রমাণিত হবে কারণ তারা বেশি সময় পর্যন্ত সক্রিয় থাকবে।

এর মাধ্যমে জাতীয় লাভও হবে।

Loading...