ভারত বনধকে কেন্দ্র করে সহিংসতা কারফিউ, ইন্টারনেটে নিষেধাজ্ঞা

0 10
নযা দিল্লি (এজেন্সী) –  শিক্ষা ও চাকরিতে জাতি ও সম্প্রদায়ে ভিত্তিতে সংরক্ষণের বিরোধিতায় ভারত বনধকে কেন্দ্র করে বিভিন্নস্থানে সহিংসতা, ভাঙচুর, সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে|
মঙ্গলবার পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনকে কারফিউ জারিসহ ইন্টারনেটে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হয়েছে| মূলত উচ্চবর্ণের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারত বনধের ডাক দেযায় বিভিন্ন রাজ্যে মিশ্র প্রতিক্রিযা সৃষ্টি হয়েছে|
রাজস্থানের ‘সর্ব সমাজ’ নামে একটি সংগঠন বনধের সমর্থনে বিবৃতি দিয়েছে|
 কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পক্ষ থেকে বনধ উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করার নির্দেশ দেযা হয়েছে|
বনধকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় জানমালের যাতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হয় সেজন্য সব রাজ্যকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে|
উত্তর প্রদেশের সাহারানপুর, মুজাফফরনগর, শামলি ও হাপুড়ে ইন্টারনেট পরিসেবা বন্ধ রাখা হয়েছে|
উত্তর প্রদেশের ফিরোজাবাদ জেলায় সমস্ত স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে| মীরাট জোনের ৬ জেলায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে|
রাজস্থানের জয়পুরে সোমবার রাত থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে|

ভারত বনধকে কেন্দ্র করে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ

রাজস্থানের বিভিন্ন শহরে সতর্কতা জারি করাসহ জয়পুরে ইণ্টারনেট পরিসেবা বন্ধ করা হয়েছে|
মধ্য প্রদেশের ভোপালে আজ সকাল ৬ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যটন্ত ১৪৪ ধারা কার্যেকর করা হয়েছে| ভিন্ড ও মুরেনাতে কারফিউ জারিসহ ওই এলাকায় ৬ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী মোতায়ে করা হয়েছে|
গোযালিয়রে পরিস্থিতি মোকাবিলায় দু’হাজারের বেশি অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ে করা হয়েছে| উত্তরাখণ্ডের নৈনিতালে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে|
বিহারের আরানগর থানার আনন্দনগর এলাকায় বনধ সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের মধ্যে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে|
আরাতে কয়েশ’ যুবক পাটনা প্যাসেঞ্জার ট্রেন অবরোধ করেছে| এখানে ক্ষুব্ধ যুবকরা রেললাইনের উপর দাঁড়িয়ে সংরক্ষণের বিরোধিতায় স্লোগান দেন|
আরাতে পাল্টাপাল্টি পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন| গযাতে বিক্ষোভকারীদের মোকাবিলা করতে পুলিশকে লাঠি চালাতে হয়|
বনধের ফলে পাটনা“কোলকাতা জোনে রেল চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে| ভোজপুর, নওযাদাসহ আরা বকসার জাতীয় সড়কে অবরোধজনিত কারণে যান চলাচল বিপর্যতস্ত হয়েছে|
মথুরাতে বৃজমণ্ডল ক্ষত্রিয় রাজপূত সভার পক্ষ থেকে বনধের সমর্থনে মানুষজন সড়কে নেমে বিক্ষোভ দেখায়|
ভারত বনধ সমর্থকদের দাবি, জাতি বা সম্প্রদায়ে ভিত্তিতে নয় আর্থিকভাবে দুর্বলদের জন্য সংরক্ষণ থাকা উচিত যাতে প্রত্যেক সমাজের মানুষ সমাজের মূল ধারায় আসতে পারে|
দেশে নিম্নবর্ণের তপসিলি জাতিউপজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালু রয়েছে| উচ্চবর্ণের মানুষজন তার বিরোধিতায় এবার মাঠে নেমে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে শামিল হয়েছেন|

You might also like More from author

Comments

Loading...