ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের রায় ধর্মান্তরিত ‘হাদিযা’র বিযে বৈধ

রায়
নযা দিল্লি (এজেন্সী) – ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ইন্দিরা দীপক মিশ্র বৃহস্পতিবার দেযা এক রায় দিয়ে জানিয়েছে ধর্মান্তরিত নারী ‘হাদিযা’র বিয়েছে বৈধ বলে জানিয়েছেন| হাদিযার মুসলিম স্বামী শেফিন জাহানের পক্ষ থেকে কেরালা হাইকোর্টের রাযে বিরুদ্ধে করা এক আপিলের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন সুপ্রিম কোর্ট|
তিন সদস্য বিশিষ্ট সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চটির রাযে অনুলিপিতে বলা হয় যে, ‘পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সম্পর্ক স্থাপন ও বিযে করে এই দম্পতি কোন আইনভঙ্গ করেন নি, বরং কেরালা হাই কোর্টের দেযা এই বিয়েছে অবৈধ ঘোষণা করার আদেশ যথাযথ নয়|’
২০১৭ সালের মে মাসে, হাদিযার হিন্দু পিতা অশোকানের পক্ষ থেকেকরা মামলার রাযে কেরালা হাই কোর্ট এই বিয়েছে অবৈধ বলেন এবং ‘লাভ জিহাদ’ বলে উল্লেখ করেন| হাদিযাকে তার পিতামাতার বাড়িতে ফিরে যেতেও আদেশ দেন আদালত|
বৃহস্পতিবার, সুপ্রিম কোর্টে দেযা তার জবানবন্দিতে হাদিযা আদালতকে অনুরোধ করেন, তাকে যেন তার স্বামীর সঙ্গে থাকার অনুমতি দেযা হয়| এ সময়, আদালত কেরালা হাই কোর্টের কাছে দুজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের বৈবাহিক সম্পর্ককে কিভাবে তারা অবৈধ ঘোষণা করতে পারেন সেই ব্যাখ্যা তলব করেন|
ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের রাযে প্রতিক্রিযায় হাদিযার পিতা অশোকান অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন যে, শেফিন একজন সন্ত্রাসী, আদালত আমার মেয়েছে একজন সন্ত্রাসীর সঙ্গে ঘর করার আদেশ দিয়েছেন| এই রাযে আমি অত্যন্ত ক্রুদ্ধ ও ব্যথিত|
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে হাদিযার পিতা অশোকান থানায় নিখোঁজ মামলা দাযে করেন| ঐদিন হাদিযা কলেজ যাবার জন্য হিজাব পড়েই বাড়ি বের হন| এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় নারী পরিষদের সভাপতি এএস জয়নাব| হাদিযার অভিযোগ তার ইসলাম ধর্মগ্রহণের পর তার পিতা তাকে বাড়িতে ধর্মচর্চা করতে দিতেন না|
২৪ বছর বয়স্কা হাদিযার ধর্মান্তর পূর্ব নাম ছিলো ‘অখিলা অশোকান’, তিনি ভারতের কেরালা রাজ্যের ভৈকম জেলার একজন হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা বিজ্ঞানের ছাত্রী |
Please follow and like us:
Loading...