ব্রিটিশ রাজতন্ত্র এবার জড়তা থেকে অন্তরঙ্গতার পথে

ব্রিটিশ
লন্ডন (এজেন্সী)- কয়েক বছর ধরেই ব্রিটিশ রাজপরিবারে রক্ষণশীলতা, ঐতিহ্য, অস্পর্শতা ও ছুত্মার্গের যুগের সংস্কার চলছে। বৃহস্পতিবার কিংসটন প্রাসাদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মের্কেলের বাগদানের অন্তরঙ্গ ছবি মুহুর্তেই আলোচনার জন্ম দেয।
চোখে পড়ে রাজতন্ত্রের শত বছরের পরিবর্তন
রাজা ষষ্ঠ জর্জ (১৯২৩) থেকে, রাণী এলিজাবেথ (১৯৪৭) পর্য১ন্ত রাজপরিবারের বাগদানের ছবিতে নবযুগলের দুরুত্ব বজায রাখা ছবিই দেখা য়েত। কিন্তু যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে পাল্টেছে রাজপরিবারের প্রটোকল ও নানা গোপন নীতি।
তবে রাজপরিবারের প্রথম কোন সদস্য হিসেবে নতুন সঙ্গীর হাত ধরে ছবি তুলে সাড়া জাগিয়েছিলেন এলিজাবেথ কন্যা প্রিন্স অ্যানি (১৯৭৩)। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হযনি।

ব্রিটিশ রাজপরিবারের নিয়মের তোয়াক্কা করেন নি প্রিন্সেস ডায়না

রাজপরিবারের নিযম“নীতির তোযাক্কা না করা চিরসৱুজ রাজকুমারী প্রিন্সেস ডাযনা প্রিন্স চার্লসকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে বাগদানের ছবি (১৯৮১) তুলেছিলেন। দু’জনই পরেছিলেন নীল শার্ট ও সাদা প্যান্ট। শেকল ভাঙ্গা ডাযনার সাহসী ছবির পর পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রাস্তাটা অনেক সহজ হয়ে যায।
‘ধরা যাবে না, ছোঁযা যাবে না’র সেই ছুত্মার্গ পাল্টে ১৯৯৯ সালে চুমু খাওযা ছবি তুলে হইচই ফেলে দেন প্রিন্স এডওযার্ড ও প্রিন্সেস সোফি। এরপর আসে উইলিযাম হ্যারিদের যুগ।
২০১০ সালে প্রিন্স উইলিযাম ও কেট মিডলটন একে অপরকে সম্মুখে জড়িয়ে ধরে ছবি তোলেন। ডেইলি মেইল এর ক্যাপশন দেয, ‘কাছে এসো ডার্লিং’।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সাদা“কালো প্রথম ছবিতে দেখা যায, হ্যারি মেগান একে অপরকে আবেশে জড়িয়ে ধরে হাসছেন। হ্যারি তাকিয়ে আছেন ভালবাসার স্পর্শে চোখ বুঁজে থাকা মেগানের দিকে। মেগানের হাতে শোভা পাচ্ছে বাগদানের আংটি।
অপর ছবিটি আনুষ্ঠানিক, হ্যারি পরেছেন নীল ব্লেজার, কালো“সোনালি গাউনে সাজা মেগানের এক হাত হ্যারির উরুতে আরেক হাত হ্যারির হাতে।
২০১৮ সালে মার্চে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন তারা। শুভ হোক হ্যারি“ মেগানের বন্ধন। শুভ হোক ব্রিটিশ রাজপরিবারের পরিবর্তন।
Please follow and like us:
Loading...