বিসিসিআই কর্মকর্তারা টাকা ওড়াচ্ছেন, তিনজনের ছমাসে খরচ এক কোটি টাকা

amitabh-choudhary

 

  • অমিতাভ চৌধুরীর বিল 25 লাখ
  • খরচের অর্ধেক শুধুমাত্রTA-DA 
  • সিএএ প্রেসিডেন্টের আপত্তি

প্রতিনিধি

নয়াদিল্লি: বিসিসিআই কর্মকর্তাদের টাকা খরচের হিসাব আবার বাইরে এসেছে।

এই হিসাব পত্র বাইরে আসার পরে জানা গেছে যে মাত্র তিন অফিসার মিলে গত ছয় মাসে এক কোটি টাকা উড়িয়ে দিয়েছেন।

এই তথ্য প্রকাশ পাবার পর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত কমিটির লোকেদের ওপরেও প্রশ্ন উঠছে।

আজ পর্য্যন্ত লোধা কমিটির কথা মত অনেক কাজ হয়ে উঠতে পারেনি।

তাই প্রশ্ন উঠছে যে অস্থায়ী কর্মকর্তারা ছাড়া এই কমিটির লোকেরা কি কাজ করছেন

এবং তাদের ওপরে বিসিসিআইয়ের কত টাকা খরচ হচ্ছে।

যেই কাগজ গুলি বাইরে এসেছে, সেগুলি ইমেলের চিঠি।

তাতে জানা গেছে যে বোর্ডের কার্যনির্বাহী সম্পাদক অমিতাভ চৌধুরখরচের অর্ধেক শুধুমাত্রTA-DA

জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ততিনি তার ভ্রমণের জন্য 25 লাখ টাকা ব্যয় করেছেন।

একইভাবেসি কে খান্না খরচ করেছেন ছয় লাখ টাকা এবং অনিরূদ্ধ চৌধুরী 15 লাখ টাকা নিয়েছেন।

এই পুরো টাকা শুধু তাঁদের টিএ-ডিএ

বিসিসিআইয়ের নিজস্ব ব্যয়ের নিয়ম রয়েছে।

বিসিসিআই নিয়মাবলী অনুযায়ী কোন বিদেশী সফরে কোন কর্মকর্তা প্রতি দিন ৭০০ ডলার এবং দেশে ভ্রমন করলে প্রতিদিন ২০,০০০ টাকা দেবার নিয়ম আছে।

এই পেমেন্ট ছাড়াওএঁদের থাকার জন্য পাঁচ তারকা হোটেল এবং অন্যান্য সুবিধা আছে।

অফিস সহকারী যিনি অফিসারের সাথে থাকেন, তাঁর পাওনা অর্ধশত ডলারেরও বেশি।

এই কারনে প্রশ্ন উঠেছে যে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্রীড়া সংস্থা ফিফার তুলনায় এত বেশি টাকা ভারতবর্ষে কেন খরচ করা হচ্ছে।

কিছূদিন আগেই রাশিয়া তে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ প্রতিযোগিতা শেষ হয়েছে।

ফিফা তার নিজের সদস্যদের মাত্র ১৫০ ডলার খরচ দেয়। তাহলে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড এত টাকা ওড়াচ্ছে কি হিসেবে।

কাগজ পড়ে জানা যায় যে কার্যনির্বাহী সচিব অমিতাভ চৌধুরী নিজের ৮ দিনের ব্রিটেন যাত্রার নামে ৬,০০০ ডলার নিয়েছেন।

বলা হচ্ছে যে সুপ্রিম কোর্ট দ্বারা গঠিত বিশেষ কমিটির সভাপতি বিনোদ রাই এই ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

রায় বলেছেন যে লোধা কমিটির সুপারিশ এখনও বাস্তবায়িত হয়নি

এই সবের পিছনে কিছু মানুষদের গভীর অভিসন্ধি এবং স্বার্থ জড়িত।

তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে যখন বিদেশে খেলার সময় বিরাট কোহলী ১২৫ ডলার পায় তো তার থেকে বেশি আধিকারিকরা কেন পাবেন।

খবরটা বাইরে ছড়িয়ে পরার পরে এই নিয়ে অমিতাভ চৌধুরী কে প্রশ্ন করা হয়েছিলো।

তিনি এই ব্যাপারে প্রশ্ন শুনে ক্ষুব্ধ।

তিনি বলেন যে যখনই আদালতে শুনানির তারিখ কাছাকাছি আসে, তখনই এই ধরনের তথ্য বেরিয়ে আসে।

বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সিএফও-এর জন্য কত টাকা ব্যয় করা হয়েছে তা জনগণকে জানাতে হবে।

বিনোদ রায় এবং তাঁর কমিটী কত টাকা খরচ করেছে, সেই হিসেব বাইরে আসা উচিত।

তিনি বলেনএক দিকে, 70 বছরের বেশি বয়সী বোর্ডের লোকেদের অপসারণের কথা বলা হচ্ছে।

অপরদিকে, 70 বছর বয়সের পর বিনোদ রায় নিজেই এই পিচের উপর ব্যাটিং করছেন।

চৌধুরী জানিয়েছেন যে তিনি নিয়মের বিরুদ্ধে কোন কাজ করেননি।

বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত বিধি অনুযায়ী তাঁরা অর্থ ব্যয় করেছেন।

এখানে উল্লেখ্য যেবিনোদ রায় তাঁকে প্রশ্ন করেছেন যে কার্যনির্বাহী সচিব ভুটানের সফরটি কি উদ্দেশ্যে করেছেন?

গত ছয় মাসের মধ্যে দুবার বিদেশ সফর করার কারণ কি?

একবার 32 দিন অন্যবার 110 দিন ধরে বিদেশ সফর করার পেছনে তাঁর কি উদ্দেশ্য রয়েছে, সেটাও জানাতে হবে তাঁকে।

Please follow and like us:

Author: Bangla R khabar

Loading...