Press "Enter" to skip to content

রিমসে ভর্তি লালুর সাথে দেখা করলেন ভোলা রায়, উপেন্দ্র কুশওয়াহা

  • বললেন, বিহারে মহাগঠবন্ধন পরিসর বাড়ানো হবে

রাঁচিঃ পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদের সাথে

শনিবার বিহার সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী ভোলা রায়, রাষ্ট্রীয় লোক সমতা পার্টির নেতা উপেন্দ্র কুশওয়াহা

এবং রণবীর সিং দেখা করেন।

দিকে এই দিনই পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত লালু প্রসাদের মেয়ে এবং জামাই এর ও লালুর সাথে দেখা করতে আসার কথা ছিল,

কিন্তু কোন কারণে তাঁরা সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেন  নি।

লালুর সাথে দেখা করার পর উপেন্দ্র কুশওয়াহা সাংবাদিকদের বলেন যে

বর্তমানে লালুজী একটু ভালো আছেন।

কিন্তু তাঁর আরও উন্নত চিকিৎসার দরকার।

প্রশাসনের এই ব্যাপারে নজর দেওয়া উচিৎ।

তাঁর চিকিৎসার জন্য আরও কিছু করা দরকার।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন যে বিহারে আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচন হবে

এবং সেখানে মহাজোট পুরো শক্তি দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

মহাজোটের পরিসর বাড়াবারও চেষ্টা করা হবে।

বাম এবং এনডিএ থেকে আলাদা যে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি রয়েছে,

তাদেরও যাতে এই মহাজোটে শামিল করা যায়, সেই ব্যাপারে লালুজীর সাথে কথা হয়েছে।

ঝাড়খন্ড বিধানসভা নির্বাচনে মহাজোট তৈরি করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথায় তিনি বলেন যে

আমরা আগে থেকেই মহাজোটে আছি।

এখন এটিকে ফাইনাল রূপ দেওয়া বাকি আছে। এখানে আমাদের স্থানীয় ইউনিট এই মামলাটি দেখবে।

বিহারে পোস্টারবাজীর ব্যাপারে তিনি বলেন যে এবার আর বিহারে নীতীশ কুমারের ডাল গলতে দেওয়া হবে না।

কেননা বিহারে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইন কানুন ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে গেছে।

দিন প্রতিদিন কৃষকদের সমস্যা বেড়েই চলেছে।

রোজগারেরও সমস্যা তৈরী হয়েছে।

১৫ বছরেও নিতিশ কুমার এইসব সমস্যার সমাধান করেন নি।

সেইজন্য এবার নীতীশ কুমারের সরকারকে পিছু হঠতে হবে।

রিম্সে লালুর কিডনির রিপোর্ট ২-৩ সপ্তাহেই

লালুর স্বাস্থ্যের ব্যাপারে ডক্টর ডিকে ঝা বলেন যে তাঁর ঘা বর্তমানে পুরোপুরি শুকিয়ে গেছে।

তাঁকে আর অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে না।

ইনফেকশন ও কিডনির কাজের রিপোর্টের জন্য রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে।

বর্তমানে তাঁর কিডনি ৪০ শতাংশের মতো কাজ করছে।

এখন সকাল বেলায় জলখাবারের সাথে লালুকে চারটের বদলে দুটি করে ডিম দেওয়া হচ্ছে।

প্রোটিন এর থেকে ইউরিয়া বাড়ে সেজন্য তাকে ডিম সেদ্ধ কম দেওয়া হচ্ছে।

প্রোটিন থেকে ইউরিয়া বাড়ে, তাই ডিমের পরিমাণ কম করে দেওয়া হয়েছে।

তাঁর রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রনে এসে গেছে।

চিকিৎসক জানান যে লালুর ইনসেন্টিভ মনিটরিং করা হচ্ছে।

২-৩ সপ্তাহেই বোঝা যাবে যে তাঁর কিডনির সমস্যা স্থায়ী বা অস্থায়ী।

চিকিৎসক বলেন যে বর্তমানে তাঁর ডায়ালিসিসের দরকার নেই।

যখন কিডনির কাজ ১৫ শতাংশের কাছাকাছি চলে আসে তখনই ডায়ালিসিস করা হয়।

 

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  

Be First to Comment

Leave a Reply

Mission News Theme by Compete Themes.
error: Content is protected !!