ত্রিপুরায় নির্বাচন – ২৫ বছরের বাম শাসন টিকবে? জোর লড়াই তুলে ধরেছে বিজেপি

নির্বাচন
আগরতলা (এজেন্সী) – ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার ৬০টি বিধানসভা আসনে ১৮ই ফেব্রুযারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে| ত্রিপুরায় গত পঁচিশ বছর ধরে বামপন্থীরা একটানা ক্ষমতায় রযেছে|
এবার সেখানে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছে বিজেপি ও উপজাতীয় দল আইপিএফটি“র জোট|
ত্রিপুরাতে অন্তত ১৯টি উপজাতি গোষ্ঠীর বাস হলেও, রাজ্যে বাঙালিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ|
ফলে নানা কারণে নির্বাচন নিযে ভারতে এবং ভারতের বাইরে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে|
ত্রিপুরার সাংবাদিক জযন্ত ভট্টাচার্যএ বলেছেন যে এবার শাসকদল বিজেপি কমিউনিস্টদের হাত থেকে এ রাজ্য ছিনিযে নিতে চাইছে|
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ বলছেন যে বিজেপি এবার এ রাজ্য শাসন করবে|
মি. ভট্টাচার্যর বলেন, ওনারা চাইছেন কমিউনিস্টদের হাত থেকে ক্ষমতা ছিনিযে নিযে অভিজ্ঞতা নিতে আর সে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিযে কেরালায় প্রযোগ করবেন| সেখানেও তারা সরকার গঠন করতে চান| তারা দুজনই এটা বলছেন বারবার|
জয়ন্ত ভট্টাচার্যও বলছেন ত্রিপুরাকে শাসক দল বিজেপির টার্গেট করার কারণ হলো সেখানে বিরোধী দল কংগ্রেস দুর্বল হযে পড়েছে|
কংগ্রেসের দশ জন বিধায়কের সাত জন বিজেপিতে যোগ দিযেছে|
তাছাড়া রাজ্যে প্রতিষ্ঠান বিরোধী মনোভাব চাঙ্গা হযে উঠছে|
এসব কারণেই বিজেপির মনে হচ্ছে যে তারা এবার সরকার গঠন করতে পারবে|
জয়ন্ত ভট্টাচার্য বলছেন জনপ্রিয়তায় কারা এগিযে সেটা হলফ করে বলা যাচ্ছেনা| তবে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি|
তিনি বলেন বিজেপি গত নির্বাচন ১ দশমিক ৮ শতাংশ মাত্র ভোট পেযেিলো| কিন্তু কংগ্রেস থেকে ও শাসক সিপিআইএমে ভাঙ্গন ধরিযে অনেকে যোগ দিযেছে বিজেপিতে| ফলে দলটি শক্তিশালী হযে প্রধান বিরোধী দল হয়েছে|
এছাড়া কেন্দ্রের মন্ত্রীরাও গত এক বছরে নিয়মিত সফর করেছেন| প্রধানমন্ত্রী দুবার ত্রিপুরায় এসে চারটি জনসভা করেছেন| দলটির শীর্ষ নেতারা অনেকে এসেছেন| অনেকদিন ধরেই তারা সংগঠনকে গড়ে তুলতে চাইছেন|
কমিউনিস্টদের কি অবস্থা?
রাজ্যে দীর্ঘদিনের শাসক হিসেবে এবার কমিউনিস্টদের কি অবস্থা জানতে চাইলে জয়ন্ত ভট্টাচার্যএ বলেন সিপিআইএম এর কেন্দ্রীয় নেতারাও রাজ্য সফর করে জোরদার প্রচার চালিযেছেন|
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার একাই ৫০টির মতো সভায় বক্তব্য দিযেছেন|
মানিক সরকারকে নিযে বিতর্ক কেন?
মি. ভট্টাচার্যক জানান নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন| নাম উল্লেখ না করেও তিনি সাদা পাঞ্জাবী কালো দাগে ভরে গেছে|
তার মতে এমনিতে সবাই বলে মুখ্যমন্ত্রী সত্ লোক| কিন্তু রাজ্যে যে দুর্নীতি হচ্ছে সরকারি কর্মচারী ও পার্টির নিচু পর্যাোযে কর্মীদের মধ্যে সেটা তিনি রুখতে হয়েছেন“এমন সমালোচনাও আছে|
Please follow and like us:
Loading...