Press "Enter" to skip to content

ঝারখন্ডে পুলিস বিভাগে হতে পারে সুপ্রীম কোর্টের পুনরাবৃত্তি, সব সিনিয়র সাইড লাইনে

Spread the love



সংবাদদাতা
রাঁচি: ঝাড়খন্ড পুলিশেও সুপ্রিম কোর্টের চার বিচারকের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। অনেক একম ঘটনা ঘটে যাচ্ছে যে যে কোনো দিন পূরো ডিপার্টমেন্ট ফেঁসে যেতে পারে।
বাকোরিয়ায় কিছূ লোক পুলিসের গুলিতে মারা যাবার পর পুলিসের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিলো যে তারা সবাই নক্শাল। তখন থেকেই পুলিসের কিছূ লোক এটি মেনে নিতে পারে নি। তাদের কথা মত পুলিস নির্দোষ গ্রামবাসীদের মেরে ফেরে নক্শাল বলে চালাতে চাইছে।
এক পুলিস অফিসার কে এই ঘটনার তদন্ত থেকে রাতারাতি সরিয়ে দেবার পর আবার থেকে ঝামেলা শুরু হয়েছে। এডিজি পদের অফিসার এমভি রাও বলেছেন যে ঘটনাটি সাজানো এবং এর জন্য দোষী অফিসারদের সাজা দেওয়া উচিত।
রাজ্য পুলিসের ডিজিপি কে তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন যে এই ঘটনার তদন্ত কোন কারণে সিবিআই করলে অনেক জন ফেঁসে যাবে। শ্রী রাও কে রাতারাতি এখান থেকে সরিয়ে দিল্লী পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এর পর পুলিস বিভাগের সীনিয়র অফিসাররা সব কিছু নিয়ে ভীষণ অসন্তুষ্ট। রাজ্যে এখনও তিন ডিজি কর্মরত আছে ডি.কে. পাণ্ডে ছাড়াও বিবি প্রধান এবং কেএস মিনাকে ডিজি এর পদে পদান্বিত করা হয়েছে।
আসলে বিভাগে অলিখিত নিয়ম আছে যে সিনিয়ার অফিসাররা সিআইডি এবং স্পেশাল ব্রাংচের দায়িত্বে থাকবেন। এটা না করার জন্য প্রতিদিন ঝামেলার আশংকা বাড়ছে।
এডিজি পদে ঝারখন্ড ক্যাডারের 86 ব্যাচের কুমুল নয়ন চৌবে এবং ভী দেশমুখ এখনও রাজ্যের বাইরে। 87 ব্যাচের নিরজ সিন্হা, পিকে নায়ডূ, এমভি রাও এবং রেজি ডুংডূং।
এই সমস্ত অফিসারদের শান্টিংগ পোস্টে রাখা হয়েছে। নায়ডূ কে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিজিলেন্স বিভাগ থেকে সরান হয়েছে। স্পেশাল ব্রাঙ্কের এডিজি অনুরাগ গুপ্তা হল, 90 ব্যাচের অফিসার। সিআইডির প্রশান্ত সিং 92 ব্যাচ। এই দূজনের ওপরে আরও চার অফিসার। দায়িত্বশীল হিসাবে বিজিলেন্সের পদটিও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হয়, যেখানে 93 ব্যাচের এমএল মিনাকে রাখা হয়েছে।
এই সব কারনে বিভাগে একটা আগুন ধরে গেছে, যেটা পরে দাবানল হয়ে উঠতে পারে। বাকোরিয়া কেসের ব্যাপারে জানা গেছে যে শ্রী রাও মামলার ফাইল সঠিকভাবে সংকলন করতে চাইছিলেন। সেই নিয়ে তার ডিজিপির সাথে কথা কাটাকাটি।
খবর আছে যে ডিজিপি শ্রী পান্ডে এটা নিয়ে দিল্লেতে খবর দেন আর জানান যে এই ধরনের ঘটনা হলে রাজ্যে এন্টি নক্শাল অপারেশন প্রভাবিত হবে। তাই প্রধানমন্ত্রির সুরক্ষা এডভাইজার অজিত ডোভালের নির্দেশে রাতারাতি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে শ্রী রাও কে।
তবে কিছূ লোক বলে যে আসলে এই ঘটনার কারণ অন্য। তবে সূত্রটিও মনে করেন যে, যদি কোনও কারণে সিবিআই কে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় তবে সে ক্ষেত্রে অনেক সংস্থার জন্য সমস্যাগুলি খাড়া হতে পারে।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.