My title page contents Press "Enter" to skip to content

গিরি গোবর্ধনের সপ্তকোশীতে এখনো পর্যন্ত ৬০ লক্ষ মানুষ পরিক্রমা করেছেন




মথুরাঃ গিরি গোবর্ধনের সপ্তকোশীতে এখনো পর্যন্ত ৬০ লক্ষ মানুষ পরিক্রমা করেছেন।

গোবর্ধনের সপ্তকোশী পরিক্রমা ছোট কুম্ভ অথবা মুরিয়া পুনো মেলা নামে পরিচিত।

এই মেলায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে তীর্থযাত্রীরা আসেন।

এবার এই মেলায় ৬০ লক্ষের বেশি পূণ্যার্থী পৌঁছেছেন।

মথুরার জেলা অধিকারী সর্বজ্ঞরাম মিশ্র সোমবার জানিয়েছেন যে এখনো পর্যন্ত

এখানে ৬০ লক্ষের ও বেশি মানুষ পৌঁছেছেন।

তিনি জানান যে এইবার আবহাওয়া তীর্থযাত্রীদের অনুকুলে ছিলো না।

১০ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে এই মুরিয়া পুনো মেলা।

সেই দিন থেকেই এখানে তীর্থযাত্রীর দল পৌঁছোতে শুরু করেছে এবং এখনও তাঁরা এখানে আসছেন।

চড়া রোদ অগ্রাহ্য করেই লক্ষ লক্ষ মানুষ মেলায় পৌঁছোচ্ছেন।

গিরি গোবর্ধনের সপ্তকোশীতে ভান্ডারার বিশেষ ব্যবস্থা

অন্যদিকে মেলায় যাঁরা ধার্মিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন,

সেইসব পূর্ণার্থীরা তীর্থযাত্রীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন।

মেলায় পৌঁছবার রাস্তায় জায়গায় জায়গায় ভান্ডারার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ভাণ্ডারের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে, আয়োজকরা তীর্থযাত্রীদের হাতজোড় করে

গিরিরাজ মহারাজের প্রসাদ নেবার অনুরোধ করছেন।

পুরীর শঙ্করাচার্য অধোক্ষজানন্দ দেব তীর্থ এর আশ্রমের সামনে তীর্থ যাত্রীদের জন্য

লুচি, কচুরি থেকে শুরু করে কারি-চাওল এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অন্যদিকে জলখাবারে গোলগাপ্পা, চা, বিস্কুট এবং ফল ইত্যাদি দেওয়া হচ্ছে।

তীর্থযাত্রীদের যাতে কোন রকম কষ্ট না হয়, তার জন্য বড় বড় কুলার লাগানো হয়েছে

এবং তাঁদের বিশ্রাম করার জন্য শতরঞ্জি ও চাদর বিছানো হয়েছে।

সারা রাস্তায় ভান্ডারা চলছে এবং রঙিন আলোকসজ্জা দিয়ে মেলায় ঢোকার রাস্তা সাজানো হয়েছে।

ভান্ডারার প্রসাদও অভিনব।

সকাল থেকে জিলিপি, কচুরি, হালুয়া, চা থেকে শুরু করে ছোলার চাট, পোহা ইত্যাদি বিতরণ করা হচ্ছে।

কোথাও কোথাও প্রসাদ হিসেবে পাও ভাজি এবং চাউমিন দেওয়া হচ্ছে।

দুপুরে লুচি কচুরি থেকে শুরু করে ডাল রুটি, কারি চাওল, রাজমা চাওল, ছোলে ভটুরে,

বেসনের তরকারি, লুচি, রায়তা ইত্যাদি দেওয়া হচ্ছে।

রাতেও এই ধরনের খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

সন্ধ্যেবেলায় সাধারণ মানুষকে ফল থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের পকৌরী খাওয়ানো হচ্ছে।

এই মেলায় যারা আসছেন তাঁদের জন্য আর ও এর ঠান্ডা জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

গোবর্ধন পরিক্রমা এর জন্য সেখানকার পরিবেশ খুব সুন্দর হয়ে উঠেছে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তীর্থযাত্রীরা এই পরিক্রমার আনন্দ উপভোগ করছেন।

এঁরা সকলেই নিজের নিজের এলাকার লোকসংগীত গাইতে গাইতে এগোচ্ছেন।

এই সব কিছু মিলিয়ে পরিবেশে একটা অন্যরকম মাত্রা এনে দিচ্ছে।

এই পরিক্রমার জন্য কিছুদিন আগেই প্রবীণদের জন্য হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।



Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.