বেইজিংয়ে কার্ল মার্ক্সের ২০০তম জন্মবার্ষিকীর স্মরণসভায় প্রেসিডেন্ট সি’র ভাষণ

0 10
বেইজিং (এজেন্সী) – আমাদের কার্ল মার্ক্সের স্মরণের উদ্দেশ্য হলো মানবজাতির ইতিহাসের সবচেযে মহান চিন্তাবিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা এবং মার্ক্সবাদের বিজ্ঞানসম্মত সত্যের প্রতি আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করা|
মার্ক্সবাদ হলো আমাদের পার্টি ও দেশের নির্দেশনামূলক চিন্তাধারা এবং এই বিশ্বকে জানা, সত্য সাধনা এবং এই জগত পরিবর্তনের শক্তিশালী আদর্শগত অস্ত্র|
শুক্রবার সকালে বেইজিংযে মহা গণভবনে মার্ক্সের ২০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত এক স্মরণসভায় চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসির)“র সাধারণ সম্পাদক, চীনের প্রেসিডেন্ট এবং কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেযারম্যান সি চিন পিং তাঁর ভাষণে এ কথা বলেন|
তিনি বলেন, আমাদের জন্য মার্ক্সের রেখে যাওয়া সবচেযে মূল্যবান ও প্রভাবশালী মানসিক সম্পদ হলো তাঁর নামে নামকরণকৃত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব মার্ক্সবাদ|
মার্ক্সবাদ গভীরভাবে বিশ্বকে পরিবর্তন করা ছাড়াও, চীনকে পরিবর্তন করেছে বলে প্রেসিডেন্ট সি জোর দিয়ে বলেন| তিনি আরো বলেন, তত্ত্বের প্রাণশক্তি হলো সৃজনশীলতা|

কার্লমার্ক্সের সিদ্ধান্তকে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে

মার্ক্সবাদের অব্যাহত উন্নয়নকে এগিয়ে নিযে যাওয়া হলো সিপিসি’র পবিত্র দাযিত্ব|
আমাদের চীনের বাস্তবতা দিয়ে মার্ক্সবাদের উন্নয়নকে এগিয়ে নিযে যাওয়া এবং অসীম দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে মানবজাতির সৃষ্ট সকল সভ্যতার সাফল্য গ্রহণ করা উচিত্ বলে প্রেসিডেন্ট সি উল্লেখ করেন|
সারা পৃথিবী জুড়ে এই নিয়ে নতূন ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে।
রাশিয়া থেকে সাম্যবাদের পতনের পরে ওনেক দেশে এখন কার্ল মার্ক্সের নাম নিলেও সেখানকার রাজনৈতিক দলের ভেতরে আলোড়ন ওঠে।
এই সময়ে চীনের প্রেসিডেন্টের তরফ থেকে কার্ল মার্ক্সের সম্বন্ধে নতূন করে এই কথা আবার থেকে পৃথিবীতে কার্ল মার্ক্সের ব্যাপারে ভাবনা চিন্তা শুরু করতে পারে বলে ভাবা হচ্ছে।
এই ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি চিন্তায় থাকে আমেরিকা।
আমেরিকা পুরো রাজনীিতি কার্ল মার্ক্সের সিদ্ধান্তের বিপরিতে চলে। তাই সেখানকার কোন দলই এই ধরনের সাম্যবাদকে ভাল চোখে দেখে না।
শীত যূদ্ধের কালে যে সব ঘটনা ঘটে গেছে, তার পরে আবার থেকে কিছূ ব্যাপার নিয়ে আমেরিকা এবং রাশিয়ার সম্পর্ক বিগড়ে গিয়েছে।
তাই চীনের প্রেসিডেন্টের এই ধরনের কার্ল মার্ক্সের কথা বলাটা আমেরিকা বা তার অনূযায়ী দেশের নেতাদের নতূন করে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।

You might also like More from author

Comments

Loading...