কবিগুরু নিজের নৃত্যনাট্যের মাধ্যমে জাগিয়েছিলেন দেশপ্রেমের ভাবনা

কবিগুরু
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 156 তম জন্ম জয়ন্তীতে রাঁচির বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। বাংলা সংস্কৃতির ধারক ও বাহক ইউনিয়ন ক্লাব ও লাইব্রেরীতে সন্ধ্যে সাতটা থেকে তাসের দেশ নৃত্যনাট্য পরিবেশিত হয়। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নৃত্যনাট্যটি উৎসর্গ করেছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু উদ্দেশ্যে।
অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন ক্লাবের অধ্যক্ষ জ্যোতির্ময় চৌধুরী। তারপর শিল্পীরা গুরুদেবের জন্মোৎসবের গান হে নূতন দেখা দিক আরবার পরিবেশন করেন। এরপর শুরু হয় তাসের দেশ দেশ নৃত্যনাট্যl

কবিগুরু দেখিয়েছিলেন নিয়মের থেকে ইচ্ছে বেশি মূল্যবান

কবিগুরু
নাটকটিতে কবিগুরু দেখিয়েছেন যে নিয়মের থেকে ইচ্ছে অনেক বেশি মূল্যবান। মানুষ ধরাবাঁধা গতিতে থেমে থাকতে ভালোবাসে না। সে চায় আকাশে উড়তে ও নিজের খেয়াল-খুশি মতো কাজ করতে। রাজপুত্র ও সওদাগর এসে পড়েন তাসের দেশে। সেখানে শুধু নিয়মের বাঁধন । এই দেশে সবার হাসা বারন। দোহারা পন্ডিতের আদেশে নাচ-গান ও খুশিমতো ঘুরে বেড়ান বা ফুল তলা নিষেধ  । অবশেষে রাজপুত্র ও সওদাগরের প্রভাবে তাসের দেশে পরিবর্তন আসে । তারাও নিয়ম ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসে ও জীবনের আনন্দ পুরোপুরি উপভোগ করে। নৃত্যনাট্যটিতে সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন প্রণতি লাহিড়ী, নৃত্য পরিচালনা করেছেন বিপুল নায়ক । নাটক পরিচালনা করেছেন সুবীর লাহিড়ী। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন প্রবীর লাহিড়ী। ব্যবস্থাপনায় ক্লাবের সদস্যরা ছিলেন।
গানে ছিলেন শুভাশীষ মিত্র, সুবীর লাহিড়ী, সুদীপ্ত চক্রবর্তী, প্রণতি লাহিড়ী, চৈতালি সরকার, বেদত্রয়ী সরকার, সুপর্ণা চ‍্যাটার্জী, ভাস্কর ভট্টাচার্জী, দেবব্রত সেনগুপ্ত।  নৃত্যে ছিলেন তৃষা তানিয়া সেন , রিয়া, অঙ্কিতা চক্রবর্তী , আইভি চক্রবর্তী, ইন্দ্রানী ও তন্ময়,লোপামুদ্রা,  অঞ্জলি, মানষি, শ্রেয়া,  জুহী বিশ্বাস,  দেবজ্যোতি নেহা,  রোহিনী নায়র, সিম্মী গোস্বামী, জিয়াশা রায়, সৃজিতা,  সিমরন বর্ণোয়াল। শিল্পীদের সাথে গিটারে সঙ্গত করেন শান্তনু মুখার্জি।  কী বোর্ডে ছিলেন সৌরভ নাথ,  তবলায় উত্তম ঘোষ ও অক্টোপ‍্যাডে তপু দাস সঙ্গত করেন।ডোরান্ডার কমিউনিটি হলে মজলিসের শিল্পীরা পরিবেশন করেন চিত্রাঙ্গদা।
Please follow and like us:
Loading...