এই গণিতজ্ঞের কাহিনী পড়ে আমি স্তম্ভিত, অংকগণিত গুলে খেয়েছিলেন, পৃথিবী জোড়া নাম ছিলো

দুনিয়ায় বশিষ্ঠ নারায়ণ সিংহ একটা বড় নাম ছিলো

0 117
নযা দিল্লি (এজেন্সী) বিশ্বের সেরা গণিতজ্ঞের ভেতর একজন ছিলেন তিনি। গণিতজ্ঞ হিসেবে বিশ্বজুড়ে ছিলো নাম। ওনেক নতূন ফর্মূলা বার করতে বিরাট অবদান।
অংক গণিত বোধহয় গুলে খেয়েছিলেন। তাই এই ব্যাপারে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিলো তার নাম। পরে মাথা খারাপ হয়ে ঘুরে বেড়াতেন যেখান শেখান।
মানূষ চিনতে পারলে কিছূ খেতে দিত বা কাপড় পরিয়ে দিতে না হলে ভবঘুরে অব্যস্থায় দেখা যেত। এখন কোখায় কি অব্যস্থায় আছেন কেউ জানে না।
১৯৬১ সালে পুরো ভারতবর্ষে মাধ্যমিক পরীক্ষায প্রথম| এরপর ১৯৬৩ সালে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিযা থেকে মাত্র দুবছরের মাঝে গণিতে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করে ১৯৬৯ সালে গণিতে পিএইচডি|
অংকগণিতের ওনেক বিষয়ে ওনার যোগদান লোকে ভূলতে পারে না। থিয়োরি এফ রিলেটিভিটি নিয়ে গবেষণা করার জন্য বিশ্ব জুড়ে নাম। পৃথিবী কাঁপানো এই বিখ্যাত মনিষীর কাহিনী পড়ে আমি স্তম্ভিত হযে গেছি, হায মানব জীবন|
১৯৬৯ সালেই নাসার গবেষক হিসাবে যোগদান করে ১৯৭৩ সালে দেশ সেবার মহানব্রত নিযে ফিরে আসেন ভারতে| নাসা’তে উনার অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য বলা হযেিলো“ গণিতে যদি কোনো নোবেল পুরস্কার থাকতো তবে সেটা ওনারই প্রাপ্য হতো|
আইআইটি সহ ভারতের একাধিক বিশ্ববিদ্যালযে অধ্যাপনায নিজেকে নিযোজিত করেন| তারপর শুরু হতে থাকে ধীরে ধীরে উনার মানসিক ভারসাম্য হীনতা|
স্ত্রী, ঘর, সংসার সবকিছু থেকে আলাদা হযে যান| ১৯৮৮ সালের পর থেকে একেবারেই নিঁখোজ| কারো সাথে কোনো যোগাযোগ নেই| কেউ জানেনা উনি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন| তারপর, ১৯৯২ সালে উনাকে পাওযা যায গৃহহীন হযে বিহারের রাস্তার ফুটপাথে অর্ধউলঙ্গ হযে শুযে আছেন| কোনো কথা নেই, কাউকে চিনতে পারেন না|
গণিতের অসংখ্য সূত্র যিনি পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা মুহুর্তেই বলে দিতে পারতেন“ সেই বিদ্বান, মনিষী, গণিত বিজ্ঞানী নিজের নামটিও আর বলতে পারেননা| শুধু ভারত নয , ক্যালিফোর্নিযা বিশ্ববিদ্যালযে উনি একনামে পরিচিত গণিত বিজ্ঞানী হিসাবে বিহারে যখন উনাকে ভবঘুরে অবস্থায পাওযা যায তখনকার এই ছবি“ পুরো ভারতবর্ষের মানুষ বিশেষকরে শিক্ষিতজন উনার এই ছবি দেখে চমকে ওঠেছিলো|
টাইমস অব ইন্ডিযায হেডলাইন হয| পাটনার এক ঘরে এখন তিনি বলতে গেলে একেবারে একাকী জীবন যাপন করেন|
এবার, একবার কল্পনা করে দেখুন মানুষের কীসের এতো অহঙ্কার, কীসের এতো গৌরব|এই রকম জীবন্ত একটা দৃষ্টান্ত থেকে যদি শিখার কিছু না থাকে তবে আমাদের চেযে হতভাগা আর কেউ নেই| নিমিষেই সবকিছু চূর্ণ হযে যায|

You might also like More from author

Comments

Loading...