Press "Enter" to skip to content

নির্বাচন নিয়ে আসর জমজমাট গুজরাত ভোট নিযে বেপরোযা বিজেপি

Spread the love



নযাদিল্লি (এজেন্সী) – নির্বাচন যত কাছে আসছে, গুজরাটে ভোটের দিন যত এগোচ্ছে, শাসক দল বিজেপি ততই মরিযা হযে উঠছে| না হলে গতকাল ৱুধবার সে|রাষ্ট্র জেলার মোরবির জনসভায প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওইভাবে প্রযাত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে কটাক্ষ করতেন না|

সে|রাষ্ট্রের এই মোরবি এলাকা বিখ্যাত সিরামিক টাইলসের জন্য| পাতিদার আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেলদেরও গড় এই অঞ্চল| সেই মোরবির জনসভায কংগ্রেসকে বিদ্ধ করার চেষ্টায মোদি বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ইন্দিরা গান্ধী এই মোরবিতে এসে নাকে রুমালচাপা দিযে ঘোরাফেরা করেছিলেন|

একটি ম্যাগাজিনে সেই ছবি বেরিযেিল| মোরবির বাতাসে নাকি দুর্গন্ধ! আমাদের কিন্তু নাকে রুমাল চাপা দিতে হয না| আমরা আপনাদের ভালোমন্দ সবকিছুর সঙ্গেই আছি| জনসংঘ ও আরএসএসের প্রচারকদের নাকে লেগে থাকে মানবতার গন্ধ|’

এর আগের দিন মঙ্গলবার কংগ্রেসের চরিত্র বিশ্লেষণ করে মোদি বলেছিলেন, ‘ওরা গরিববিরোধী| সেই জন্যই আমার সামাজিক চরিত্র নিযে ওরা কটাক্ষ করে| চাওযালা বলে তাচ্ছিল্য করে|’ সেই চরিত্র বিশ্লেষণে গতকাল ইন্দিরার নাকে রুমাল দেওযার উল্লেখ করে মোদি বলেন, একটা গরিবের ছেলে দেশের প্রধানমন্ত্রী হযেে, এটাই কংগ্রেস মেনে নিতে পারছে না|

নির্বাচন নিয়ে ৩০টি জনসভা করবেন মোদি

মোদি আগামী দুই সপ্তাহে রাজ্যে ৩০টির মতো জনসভা করবেন| কিন্তু ঘটনা হলো, মঙ্গলবারের জনসভার বহর বিজেপির নেতাদের কপাল কুঁচকে দিযেে| যে তিনটি জনসভা মঙ্গলবার তিনি করেন, কোথাও মাঠ বোঝাই হযনি|

এত কম ভিড়ের কারণ কী? দিল্লিতে পার্টির সদর দপ্তরে তা নিযে চলছে তারই চুলচেরা বিশ্লেষণ| তবে কি মোদির আকর্ষণ তাঁরই রাজ্যে কমে গেছে? রাজ্যের মানুষের কাছে তিনি পুরোনো হযে গেছেন?

নাকি নোট বাতিল ও জিএসটি নিযে কংগ্রেসের প্রচারে গুজরাটিরা বিভ্রান্ত? গুজরাট জিততে বিজেপি যে মরিযা, সে বিষযে কোনো সংশয নেই| মরিযা বলেই হিমাচল প্রদেশের সঙ্গে গুজরাটের ভোটের তারিখ একসঙ্গে ঘোষণা করতে দেওযা হযনি|

দেরিতে ঘোষণার উদ্দেশ্য ভোটের আগে বেশ কিছু প্রকল্প ও প্রতিশ্রুতি যাতে দেওযা যায| মরিযা বলেই সংসদের শীতকালীন অধিবেশন নভেম্বরের বদলে ডিসেম্বরে পিছিযে দেওযা হলো, যাতে প্রধানমন্ত্রী বেশি সমযটা রাজ্যে কাটাতে পারেন| মরিযা যদি না“ই হতো, ছয রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও কুড়িজন কেন্দ্রীয মন্ত্রীকে তা হলে পালা করে রাজ্যে প্রচারে পাঠানো হতো না|

শেষ বেলায প্রধানমন্ত্রীও নিজে এত জনসভার চাপ ঘাড়ে নিতেন না| দুই বছর আগে ২০১৫ সালে রাজ্যে পঞ্চাযে ও পৌরসভার ভোটে বিজেপি পেযেিল সাড়ে ৪৬ শতাংশ ভোট, কংগ্রেস সাড়ে ৪৩| দুই বছর পর আজ কিছুটা নতুন সামাজিক বিন্যাস ঘটে গেছে|

কংগ্রেসের সমর্থনে এসেছেন পাতিদার নেতা হার্দিক প্যাটেল, দলিত নেতা বিঘ্নেশ মেওযানি ও অনগ্রসর নেতা অল্পেশ ঠাকুর| অল্পেশ এবার কংগ্রেসের টিকিটে লড়ছেন, বিঘ্নেশ লড়ছেন স্বতন্ত্র|

কংগ্রেস তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী দেযনি| হার্দিকের বযস ২৪| বিধানসভার ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতার যোগ্যতা অর্জন করতে তাঁকে আরও এক বছর অপেক্ষায থাকতে হবে| তবে প্যাটেলদের মধ্যে তাঁর প্রভাব অস্বীকার করার নয|

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.